গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান খান কিরণের বিরুদ্ধে বিদেশে টাকা পাচার এবং বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন মহামান্য হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার দূর্নীতি দমন কমিশন দুদক-কে এ আদেশ দেন। যার অনুলিপি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
এছাড়া আগামী চার মাসের মধ্যে এই অনুসন্ধান শেষ করতে দুদকের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি দুই সপ্তাহের রুল জারি করেছেন মহামান্য আদালত।
আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সারোয়ার আহমেদ। দুদকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন।
দেশের প্রথম সারির একটি জাতীয় দৈনিকে গত বছরের ২১ আগস্ট ‘কিরণের কেরামতিতে বেহাল গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন’ শীর্ষক প্রতিবেদন যুক্ত করে এ রিটটি করেন গাজীপুরের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম ও জিল্লুর রহমান নামে দুই ব্যক্তি।
ভারপ্রাপ্ত মেয়রে লাগামহীন দুর্নীতি ও অনিয়ম করে সাধারণ কাউন্সিলর থেকে প্যানেল মেয়র এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হয়ে রাতারাতি হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে যাওয়া, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, লুটপাট, দ্বৈত-নাগরিকত্ব, কমিশন বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ বিক্ষুব্ধ নগরবাসীর বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরনের বিরুদ্ধে অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন, দূর্নীতি, বিদেশে টাকা পাচার এবং গাড়ীবাড়ীর মালিক সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে শুরু করে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে ওই পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছিলো।
Leave a Reply