প্রথম পর্বের ইজতেমার সময় কুড়িল বিশ্বরোড ও রেডিসন ব্ল হোটেলের সামনে থেকে গণপরিবহন বন্ধ ছিল। তবে রোববার এ রুটে সব ধরনের গণপরিবহন চলেছে। এতে করে গণপরিবহনে চড়ে ইজতেমা ময়দানে আসতে পেরেছেন মুসল্লিরা।
দেখা গেছে, বিমানবন্দর সড়কের সকল গণপরিবহন উত্তরা ও আব্দুল্লাহপুর হয়ে ইজতেমার মাঠ পর্যন্ত যেতে পেরেছেন। তবে যানজট এড়াতে কিছু কিছু বাস আব্দুল্লাহপুরে থেমে যায়। যাত্রী থাকা সাপেক্ষে কিছু বাস ইজতেমা মাঠের দিকে গেছেন।
আব্দুল্লাহপুর ব্রিজ পেরিয়ে রাস্তায় দায়িত্ব পালন করা এক পুলিশ সদস্যরা জানান, যতক্ষণ পর্যন্ত যানজট দেখা না গেছে ততক্ষণ পর্যন্ত বাস ও অন্যান্য যানবাহন চলতে দেয়া হয়েছে।
সায়েদাবাদ থেকে ছেড়ে আসা তুরাগ পরিবহনের চালক মজিবুর বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম কুড়িল থেকে রাস্তা বন্ধ থাকবে। কিন্তু কোথাও রাস্তা বন্ধ পাইনি। সরাসরি আব্দুল্লাহপুর পেরিয়ে ইজতেমা মাঠের কাছাকাছি যেতে পেরেছি। প্রথম পর্বের ইজতেমার মতো আজ কোথাও রাস্তা বন্ধ ছিলো না।
এদিকে মগবাজার থেকে ইজতেমা ময়দানের এসে নেমেছেন রফিকুল ইসলাম নামের এক মুসল্লি। তিনি বলেন, তুরাগ বাসে চড়ে এসেছি। অন্যান্যবার যেমন রাস্তা বন্ধ থাকে আজ তা নেই। তবে আব্দুল্লাহপুর থেকে অনেক মুসল্লি পায়ে হেঁটে ইজতেমার মাঠে এসেছেন।
বর্তমানে ইজতেমার শেষ দিনের বয়ান চলছে। ভারতের মোরসালিন নিজামুদ্দিনের বয়ান তাৎক্ষণিকভাবে বাংলায় তরজমা করছেন বাংলাদেশের মাওলানা আশরাফুল। বয়ানের পর নাস্তার বিরতি দিয়ে ৯টা থেকে তালিম করবেন মাওলানা মোশাররফ। সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হবে হেদায়েতের কথা।
বেলা ১২টায় আখেরি মোনাজাত শুরু হবে। আখেরি মোনাজাত ও হেদায়েতি বয়ান করবেন ইজতেমায় আদি তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বি দিল্লির মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ কান্ধলভী।
৬২ দেশের প্রায় ৮ হাজার ও দেশের লাখ লাখ মুসল্লির আগমনে মুখর ইজতেমা ময়দানসহ টঙ্গীর আশপাশ। আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শনিবার (২১ জানুয়ারি) রাত থেকেই ইজতেমা ময়দানে আসতে শুরু করেন মুসল্লিরা। শীত উপেক্ষা বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে জড়ো হয়েছেন লাখো মুসল্লি।
Leave a Reply