কুমিল্লা সদরের জাগুড়ঝুলির রাজধানি হোটেল পতিতাবৃত্তির অভিযোগে ৩৩ জন নারী-পুরুষ ও হোটেল স্টাফকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি ) পুলিশ। আর ৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, যাদেরকে বাধ্য করে পতিতাবৃত্তি ব্যবসায় আনা হয়েছিল।
এ ঘটনার পর হোটেল মালিক জসিম উদ্দিন শান্ত পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় হোটেল মালিক শান্ত, ম্যানেজার মিন্টুসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় মানব পাচাঁর আইনে মামলা হয়েছে। এর মধ্যে হোটেল স্টাফ ৭ জনের মধ্যে টোকেনম্যান নয়ন আটক রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করেন।
হোটেল মালিক জসিম উদ্দিন শান্ত কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহবাদ ইউনিয়নের নওয়াবগঞ্জ উত্তরপাড়া এলাকার মাওলানা আলী আশরাফের বাড়ির ছায়েদ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও একাধিক স্থানীয় সূত্র জানায়, হোটেল মালিক শান্ত দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মেয়ে এনে পতিতাবৃত্তি ব্যবসা করে আসছে। আবার অনেককে জিম্মি করেও এ ব্যবসায় রাখা হচ্ছে। দেশের চাদঁপুর, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নাটোর, নারায়নগন্জ, ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার মেয়েদের এ হোটেলে এনে পতিতাবৃত্তি ব্যবসা করেন জসিম উদ্দিন শান্ত।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়া জানান, এ ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। ২০ জন মেয়ে ও ৬ জন খদ্দের এর বিরুদ্ধে পতিতাবৃত্তির অভিযোগে মামলা হয়েছে। এছাড়া হোটেল মালিক শান্ত ও ম্যানেজার মিন্টুসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় মানব পাচার আইনে মামলা হয়েছে বলে তিনি জানান।
Leave a Reply