ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ট্রেন চলাচল ৪ ডিসেম্বর থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজের জন্য৷ রেলপথের এই সংস্কার কাজে সাড়ে তিন মাস সময় লাগতে পারে জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়৷বুধবার (৩০ নভেম্বর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে— পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা থেকে গেণ্ডারিয়া অংশে তিনটি পৃথক রেল লাইনের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে৷ কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী সকল ট্রেন ৪ ডিসেম্বর থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে৷ওই কাজ শেষে ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ রুটে আবার ট্রেন চলাচল শুরু হবে বলে রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তবে বিজ্ঞপ্তিতে কোনো সময় উল্লেখ করা হয়নি৷
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার বলেন, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা করব। কিন্তু প্রাথমিকভাবে আমরা এই প্রকল্পের কাজ তিন মাসের মধ্যে সম্পন্নের চেষ্টা করব।কমলাপুর স্টেশন থেকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লাইন এবং পদ্মা সেতু প্রকল্পের রেললাইন পাশাপাশি গেছে গেণ্ডারিয়া পর্যন্ত৷ সেখান থেকে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের লাইন কেরানীগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর, মাওয়া, পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা জংশন দিয়ে যশোর পর্যন্ত যাবে৷ ১৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ডুয়েলগেজ লইন নির্মাণে ব্যয় হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা৷এদিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লাইনও ডাবল লাইন ও ডুয়েলগেজে রূপান্তরের কাজ চলছে, সেজন্য সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে৷ অর্থাৎ কমলাপুর থেকে গেণ্ডারিয়া পর্যন্ত ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ বিদ্যমান মিটারগেজ লাইনটি ডুয়েলগেজে উন্নীত হবে এবং পাশে আরেকটি নতুন ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণ করা হবে৷ এখনকার লাইনের আরেকপাশে আরেকটি ডুয়েলগেজ লাইন হবে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পে জন্য৷১২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথে প্রতিদিন ২৬টি ট্রেন চলে৷ তাতে পাশাপাশি দুই নগরে যাতায়াত করেন ৩০ হাজারের মত যাত্রী৷ ট্রেন বন্ধ থাকলে সেই চাপ পড়বে সড়কে৷
Leave a Reply