বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রাইভেটকার চালকের খুনীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২
  • ৬৩ বার

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে প্রাইভেটকার চালক সবুজ খন্দকারকে (৬০) হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।

শনিবার (১২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর এলাকায় এ মানববন্ধন করা হয়। এর আগে এলাকাবাসী সবুজের খুনিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম, মদনপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য বাবুল ইসলাম বাবু, আব্দুল খালেক মাদবর, মজিবুর রহমান, মোখলেছুর রহমান, এমরান খন্দকার, মোঃ ফারুক মিয়া, মোঃ আতউর রহমান, খোকন প্রধান, মামুন প্রধান, রাজু আহমেদ, নাজমুল হাসান, ডাক্তার রুবেল, মিলন মিয়া প্রমূখ।

মানববন্ধনে খুনিদের ফাঁসির দাবিতে নিহত সবুজ খন্দকারের স্ত্রী ও স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ স্বজনরা বক্তব্য রাখেন। এসময় বক্তারা বলেন, নিমর্মভাবে প্রাইভেটকার চালক সবুজ খন্দকারকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা খুনীদের অতি দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। নিহত সবুজ খন্দকারের এক ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। এছাড়াও বক্তার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট। এতিম সন্তানদের প্রতি সহায়তার আহ্বান জানান।

এর আগে গত ৮ নভেম্বর সকালে বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার বেলোহালী গ্রামের একটি পুকুর থেকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের দেওয়ানবাগ
গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিন খন্দকারের ছেলে সবুজ খন্দকারের হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে সবুজ খন্দকারকে (৬০) হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনায় গ্রেফতার মাস্টার মাইন্ডসহ দুজন বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এরমধ্যে একজনকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তাদের হেফাজত থেকে নিহতের প্রাইভেটকার, স্যান্ডেল ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতার দুজন হলেন- বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার মাগুড়া গ্রামের মৃত তছির উদ্দিনের ছেলে জহুরুল ইসলাম (৪২) ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার হাজিপুরের মৃত সওদাগরের ছেলে ও বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার বেলোহালী খামারগাড়ি গ্রামের আজাহার আলীর জামাতা আবুল কালাম আজাদ বাবুল (৫২)।

এর আগে, সবুজের পরিবারের সদস্যরা তার ফোন বন্ধ পেয়ে ৭ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় জিডি করেন। গ্রেফতার জহুরুল ইসলাম গ্যারেজ মালিক ও প্রাইভেটকার চালক। আর আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাবুল ঢাকায় মাঝে মাঝে গ্যাস পাইপ লাইনের কাজ করেন। তারা দুজন কিছুদিন আগে ঢাকা থেকে প্রাইভেটকার ভাড়া করে এনে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। তারা সবুজের প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের প্রাইভেটকার ছিনিয়ে নিয়ে বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের উদ্দেশে হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনা ঘটায় বলে আসামিরা স্বীকার করেছেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories