মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে উন্নয়ন ও সংস্কার নিয়ে আইইবির মতবিনিময় সভা পানি, বর্জ্য ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে : আফরোজা খানম বিজিবির মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন, সর্বস্তরে মাছ চাষের আহ্বান মহাপরিচালকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হুমায়ুন ও শামার দায়িত্ব বণ্টন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ, রোহিঙ্গা ও অভিবাসন সহযোগিতা নিয়ে খলিলুর-সারাহ কুক বৈঠক দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের তিন ধাপের কৌশল তুলে ধরলেন ড. তিতুমীর সকল ধর্ম ও মতের মানুষকে কথা বলার সুযোগ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টায় থাকবো : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ৩,১০০ রিঙ্গিত করার দাবি এমটিইউসির পেনাংয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প, দুই দিনে পাঁচ শতাধিক প্রবাসীকে সেবা প্রদান

প্রেমের টানে ইতালিয়ান তরুণী কক্সবাজারে

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২
  • ৭৭ বার

কক্সবাজারের রামুতে প্রেমিকের কাছে ইতালির তরুণী!বাংলাদেশি তরুণের প্রেমে মজে রামুতে চলে এসেছেন ইতালির রুবের টা (২৩) নামে এক তরুণী। গত বুধবার ইতালির সার্দেনিয়া শহর থেকে বাংলাদেশে আসেন তিনি। যার প্রেম এই ইতালিয়ান তরুণীকে রামুতে এনেছে, তার নাম রুনেক্স বড়ুয়া (২৮)। তিনি রামু উপজেলা সদরের হাইটুপি বড়ুয়া পাড়ার ফ্রান্স প্রবাসী বিকাশ বড়ুয়ার ছেলে। তার আদিবাড়ি উখিয়া উপজেলার রাজাপালংয়ের সীলের ছড়া এলাকায়।

তথ্য নিয়ে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে ইতালিতে যান রুনেক্স। সেখানে কর্মসূত্রে পরিচয় হয় ওই তরুণীর সঙ্গে। প্রায় এক বছরের বেশি সময় প্রেমের পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা।

জানা যায়. অনার্স পাসের পর ইতালি চলে যান রুনেক্স। সেখানে তিনি ওই তরুণীর সঙ্গে একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করতেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরেই রুবের টা বাংলাদেশে এসেছেন। এ মাসেই পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হবে।

রুনেক্স বড়ুয়া বলেন, ‘একটি হোটেলের রিসিপশনে কাজ করতাম। সেখানে পরিচয় হয় রুবের টার সঙ্গে। তারপর প্রেমের শুরু। এখন আমরা দেশে এসেছি বিয়ে করতে।’ রুনেক্স আরও বলেন, ‘সে (রুবের টা) আমার পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে। আমার পরিবারও তাকে গ্রহণ করেছে।’

ইতালিয়ান তরুণী রুবের টা বলেন, ‘মানুষের জীবন একটা। জীবনের সঙ্গীও একটা হওয়া উচিত। আমার সমাজে সেটা নেই। আমি বিশ্বাস করি, রুনেক্স আমার জীবনে একমাত্র সঙ্গী হয়ে থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘ওকে পেয়ে আমি দারুণ খুশি। তার পরিবারের সবার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। সামনের দিনগুলো যেন এরকমই কাটে সেই প্রার্থনা করি।’

রুনেক্সের ভাই শাওন বড়ুয়া জানান, ‘আমরা আনন্দিত। ভাই-বৌদির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।’ তিনি জানান, ভাষাগত কিছু সমস্যা থাকলেও সবকিছুতেই মানিয়ে নিচ্ছেন রুবের টা, পরেছেন বাঙালি পোশাকও। বাংলাদেশে এসে ভাইয়ের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ নানা জায়গায়। এলাকার লোকজন তাদের দেখার জন্য তাদের বাড়িতে ভিড় করছে। রুনেক্সের মা সুমি বড়ুয়া বলেন, ‘আমাদের স্বপ্ন ছিল ঘরে বিদেশি বউ আনবো। সেটাই বাস্তবে রূপ পাচ্ছে। আমরা তাকে নিয়ে আমি খুব খুশি। তাদের ধুমধাম করে বিয়ে দেবো।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories