চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে মোট ছয়টি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।বেসরকারি এই ডিপো কর্তৃপক্ষ নিজেরাই একটি তদন্ত কমিটি করেছে। এছাড়া বন্দর কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশন, জেলা প্রশাসন, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ অন্য তদন্ত কমিটিগুলো গঠন করে।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল রেজাউল করিমকে প্রধান করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে ফায়ার সার্ভিস। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএম কন্টেইনারের মালিক প্রতিষ্ঠান স্মার্ট গ্রুপের জিএম (প্রশাসন) অবসরপ্রাপ্ত মেজর শামসুল হায়দার সিদ্দিকীর পাঠানো এক বিবৃতিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে, গুরুতর আহত বা অঙ্গহানির শিকার হওয়া ব্যক্তিদের ছয় লাখ এবং কম আহতদের প্রত্যেককে চার লাখ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।এছাড়া নিহতদের মধ্যে কারও পরিবারে শিশু থাকলে সে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তাদের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে বিএম কন্টেইনারের পক্ষ থেকে। আহতদের চিকিৎসা খরচ বহনের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে কোম্পানিটি।স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক বদিউল আলমকে ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। কমিটিকে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। এদিকে, ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে চট্টগ্রাম কাস্টমস। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।
তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে চট্টগ্রাম বন্দর। তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিএম কন্টেইনার ডিপো কতৃপক্ষ।
Leave a Reply