রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিল ইরানের বাসিজ বাহিনী বগুড়ার নন্দীগ্রামে লাঠির আঘাতে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী নিহত কুয়েত-ঢাকার বিমানের ফ্লাইট চলাচল ফের শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইস্যুতে হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখ প্রকাশ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী কপ-১৭ সম্মেলনের সাইডলাইনে পরিবেশমন্ত্রীর চার বৈঠক গুমের দিন শেষ হয়ে গেছে, বিগত ঘটনারও বিচার হবে : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট গঠন, তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন, ঢাবি অধ্যাপককে অব্যাহতি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ১১৭ বার

বাংলা বিভাগের এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষকে।গত ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত বিভাগটির একাডেমিক কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও সম্প্রতি এটি প্রকাশ পায়। ওই সভার কার্যবিবরণী থেকে দেখা যায়, বিশ্বজিৎয়ের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি শাস্তির সিদ্ধান্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভবিষ্যতেও বিশ্বজিৎ ঘোষকে কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে যুক্ত করা হবে না, সিঅ্যান্ডডি ও একাডেমিক কমিটির সভায় তাকে ডাকা হবে না, তার নামে বরাদ্দকৃত বিভাগীয় কক্ষ বাতিল করা হবে এবং বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে আরও বৃহত্তর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে কি-না সেটি অভিযোগকারীর সম্মতি সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সভায় জানানো হয়।কার্যবিবরণীতে বলা হয়, তদন্তকালীন সময়েও একাডেমিক কমিটির এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।একাডেমিক কার্যক্রমের মধ্যে পড়বে সব ধরনের ক্লাস নেওয়া, পরীক্ষায় প্রত্যবেক্ষণ, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, এমফিল-পিএইচডি গবেষণা তত্ত্বাবধায়ন, পরীক্ষা কমিটির কাজে অংশগ্রহণ প্রভৃতি।বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত মার্চে অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনেন একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী। পরে ওই ছাত্রী বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করলে গত ২৯ মার্চ দুপুর ১২টায় একাডেমিক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে আসা যৌন-নিপীড়নের লিখিত অভিযোগটি উপস্থাপন করেন। এ সময় তিনি লিখিত অভিযোগপত্রটি পড়ে শোনান। এরপর কমিটির সদস্যরা এটি নিয়ে আলোচনা করেন।

বিবরণীতে বলা হয়, অভিযুক্ত অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ ওই সভায় উপস্থিত হয়ে ভুল হয়েছে বলে মনে করেন। তিনি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও করুণা ভিক্ষা করেন। তবে একাডেমিক কমিটির সদস্যরা তার দ্বারা সংঘটিত অতীতের বিভিন্ন যৌন নির্যাতনের ঘটনার কথা উল্লেখ করে তার এই প্রার্থনা গ্রহণ করেননি।তবে অভিযোগটি মিথ্যা দাবি করে তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, আমার সাফল্য এবং সুনামে ঈর্ষান্বিত হয়ে ওই শিক্ষার্থীর মাধ্যমে কোনো মহল এ কাজ করিয়েছে বলে আমি মনে করি। বিষয়টি সম্পন্ন মিথ্যা।এ বিষয়ে অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সার্বিক বিষয়ে বাংলা বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হককে ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করে তাকেও ফোনে পাওয়া যায়নি।প্রসঙ্গত, অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ ২০১৭ সালের ১১ জুন থেকে টানা চারবছর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories