নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শ্বশুরের বিরুদ্ধে পুত্রবধুকে (১৮) ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মো. কামাল হোসেন খন্দকারকে (৫০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পুত্রবধু বাদি হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-৩৪) দায়ের করেছেন। এর আগে পাইনাদি নতুন মহল্লা এলাকা থেকে শনিবার রাত ১২টায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ
এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিবাদী প্রায়ই তার পুত্রবধুকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিবাদির প্রস্তাবে রাজি না থাকায় বিবাদী তাকে (ভিক্টিমকে) প্রায়ই ভয়ভীতি প্রদর্শণ করত। গত ২৪ মার্চ বিকাল ৪ টায় বিবাদির ছেলে ও ভুক্তভোগীর স্বামীকে দোকান হতে কয়েল আনার জন্য পাঠায়। অতঃপর বিবাদী ভিক্টিমকে তার সাথে শারিরিক মেলামেশা করতে বলে। সে রাজি না হওয়ায় তাকে জড়িয়ে ধরলে ভিক্টিম চিৎকার করে এবং তার ডাক-চিৎকারে বাসার অন্য সদস্যরা চলে আসলে বিবাদি ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দেয়।
এ ঘটনায় থানায় গিয়ে অভিযোগ দিলে উপ-পরিদর্শক (এসআই) শওকত জামিল শনিবার রাতে তাকে আটক করে অভিযুক্তকে।
রোববার দুপুরে ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত শশুর কামাল হোসেন খন্দকার ওরফে গ্যাস কামালকে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত লম্পট কামাল হোসেন খন্দকার ওরফে গ্যাস কামাল সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। সে দলীয় প্রভাবখাটিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান পিপিএম বার জানান, গ্রেফতারকৃত কামাল হোসেন খন্দকারের ছেলে আব্দুল আজিজ জুয়েল কিছু বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় প্রায়ই তার পুত্রবধুকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিবাদির প্রস্তাবে রাজি না থাকায় বিবাদী তাকে (ভিক্টিমকে) প্রায়ই ভয়ভীতি প্রদর্শণ করত।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ মার্চ বিকাল ৪ টায় বিবাদির ছেলে ও ভুক্তভোগীর স্বামীকে দোকান হতে কয়েল আনার জন্য পাঠিয়ে ভিক্টিমের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করে। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্তকে শনিবার রাতে আটক করা হয়।
Leave a Reply