বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেনীর মহুয়া-কহুয়া সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বাহিনী সমন্বিত ভাবে কাজ করবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে কমিশন জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এমপি পদ থেকে মিষ্টির পদত্যাগ কক্সবাজারে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ৪৭ বস্তা সার জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর সাপাহারে হাফেজিয়া মাদ্রাসা’ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ, পরিচালক গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

তারেকের অতিলোভে টাটার ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বঞ্চিত হয় বাংলাদেশ

বাসস
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০২২
  • ১১০ বার

তারেক রহমান ও তার সঙ্গী গিয়াসউদ্দিন মামুনের অনিয়ন্ত্রিত লোভের খেসারত বাংলাদেশকে দিতে হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অতিলোভের কারণে ২০০৫ সালে টাটার তিন বিলিয়ন ডলারের মেগা বিনিয়োগ থেকে বাংলাদেশ বঞ্চিত হয়েছিল।’ রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি)  নিজের ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেজে এই সংক্রান্ত একটি ভিডিওবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। ভিডিওবার্তায় জয় প্রশ্ন তোলেন, ‘কেন টাটা কোম্পানি সেই সময় বাংলাদেশে তিন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে অতি আগ্রহী হওয়া সত্ত্বেও শেষ মুহূর্তে সরে আসে? কেন এদেশের যুব সমাজ তাদের কর্মসংস্থানের বিশাল সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়?’ তিনি আরও জয় বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে (২০০১ থেকে ২০০৬) তাদের কুকীর্তির কারণে বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় টাটাসহ অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।

জয় বলেন, ‘‘২০০৫ সালের ৮ মে সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান ঘোষণা করেন, টাটা বাংলাদেশে তিন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত, যা অতীতের সব বিদেশি বিনিয়োগকে ছাড়িয়ে যেতো। পরিকল্পনা মোতাবেক ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি ২৫ বছরের নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের বিনিময়ে এদেশের রাসায়নিক সার ও ইস্পাত শিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী ছিল। শুধু তাই নয়, এই বিনিয়োগ চুক্তি সফল হলে বাংলাদেশ টাটার কাছ থেকে ১০ শতাংশ শেয়ারেরও  অংশীদার হতো। কিন্তু সেসময় টাটার পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় তারেক এবং তার ‘ডানহাত’ খ্যাত গিয়াসউদ্দিন মামুন ও সিলভার সেলিম রতন টাটার সঙ্গে আলাদাভাবে একান্ত বৈঠক দাবি করেন। এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তখন বাকি পরিচালকরা উঠে যান। পরে রতন টাটার সামনে ঝেড়ে কাশেন গিয়াসউদ্দিন মামুন। এসময় তিনি রতন টাটাকে ১০ শতাংশ কমিশনের প্রস্তাব দেন। কিন্তু এ প্রস্তাব শোনা মাত্র টাটার মালিক তা প্রত্যাখ্যান করেন।  কিন্তু দাবিতে অনড় থাকেন তারেক।’প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এক পর্যায়ে রতন টাটা গিয়াসউদ্দিনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও দুবাইয়ের থাকা বিভিন্ন ব্যাংকে লেনদেনের হদিস পান।’ তিনি আরও বলেন, ‘একান্ত বৈঠকে গিয়াসউদ্দিন প্রথম দফায় ২০০ কোটি ও পরে জাতীয় নির্বাচন বাবদ আরও ১০০ কোটি টাকা দাবি করেন। ওই বৈঠকের পর রতন টাটা ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বরাবর এক চিঠিতে তারেক ও গিয়াস উদ্দিন মামুনের এই ঘুষ চাওয়ার ঘটনা ফাঁস করে দেন।

উল্লেখ্য, টাটার কাছে তারেক-মামুনের ঘুষ দাবি করার ওই ঘটনা ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের দরবার পর্যন্ত গড়ায়। পরে টাটা গ্রুপ নিয়ম অনুযায়ী প্রজেক্ট বাতিল করে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories