শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিক্ষোভ দমনে নয়াদিল্লিতে ২৫ হাজার পুলিশ, প্রস্তুত ১২ বন্দিশিবির পানামায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অভিজিৎসহ ‘তেলাপোকা পার্টির’ শীর্ষ তিন নেতা ইরান যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্যানের দিল্লিতে বন্ধ মেট্রোরেল-ইন্টারনেট সেবা বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস আজ ২৩ বছর অন্ধকার কারাগারে নুরুল ইসলাম সরকার, অবিলম্ভে মুক্তির দাবী জানান টঙ্গী ও গাজীপুরবাসী আগামীকাল শনিবার মহালয়া উদযাপনের মধ্যদিয়ে শুরু হবে সনাতনীদের দুর্গোৎসবের ক্ষণগণনা কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যা, জীবন বাঁচাতে ধানক্ষেতে দৌড়েছিল তাজমিন দেশ ছাড়ার সময় বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো সেই আলোচিত মাহদীকে

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২ বার

বাংলাদেশে প্রায় তিন কোটি মানুষ কোনো না কোনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। অথচ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন আক্রান্তদের বড় অংশ। পারিবারিক সংকট, আর্থিক চাপ, সামাজিক বৈষম্য, মাদকাসক্তি ও প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারসহ নানা কারণে মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দক্ষ চিকিৎসক ও সেবাকেন্দ্রের সংকট, সামাজিক কুসংস্কার এবং চিকিৎসা নিতে অনীহা।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্য দিয়ে যারা জীবন কাটাচ্ছেন, তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং নীতিনির্ধারণ ও চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থায় তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
জাতিসংঘও এ বছর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা শোনা এবং তাদের মতামতের ভিত্তিতে কার্যকর নীতি ও সেবাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় মানুষকে বাদ না দিয়ে তাদের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে আবাসন, শিক্ষা, কাজ ও সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করে মানুষের নিজস্ব পরিবেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সুযোগ বাড়াতে হবে।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ সালের জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্কদের ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ১২ দশমিক ৬ শতাংশ কোনো না কোনো মানসিক রোগে ভুগছেন। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে আক্রান্তদের ৯২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রয়োজনীয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পাননি। প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দেশে এ হিসাব অনুযায়ী, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় তিন কোটি।
উদ্বেগের বিষয়, ২০১৯ সালের পর থেকে দেশে নতুন কোনো জাতীয় পর্যায়ের মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ হয়নি। ফলে গত সাত বছরে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি কতটা বদলেছে, সে বিষয়ে হালনাগাদ ও নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান নেই। এ সময়ে করোনা মহামারি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, আর্থিক চাপ, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও নানা সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে গেছে দেশের মানুষ। এসব পরিস্থিতির প্রভাব মানসিক স্বাস্থ্যে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে নতুন জরিপ ছাড়া বর্তমান পরিস্থিতির সুনির্দিষ্ট চিত্র জানা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের প্রায় অর্ধেকের মধ্যে অন্তত একটি মানসিক রোগ রয়েছে। ৩৪২ জন রোগীর ওপর পরিচালিত এ গবেষণায় ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশের মধ্যে মানসিক রোগ শনাক্ত হয়। ক্যানসার বিভাগে ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে এ হার ৮৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। এ ছাড়া মেডিসিন বিভাগে ৫১ দশমিক ৬৪ শতাংশ, সার্জারি বিভাগে ৩৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং স্নায়ুরোগ বিভাগে ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ রোগীর মধ্যে মানসিক রোগ পাওয়া যায়। অথচ মানসিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয়েছিল মাত্র ৭ শতাংশ রোগীকে।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এমএমএ সালাউদ্দিন কাউসার বিপ্লবের নেতৃত্বে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। চলতি বছরের ৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘হেলথ সায়েন্স রিপোর্টস’-এ এটি প্রকাশিত হয়।
অধ্যাপক সালাউদ্দিন কাউসার বিপ্লব বলেন, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বিষণ্ণতা বা অন্য মানসিক সমস্যা দেখা দিলেও অনেক সময় মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয় না। বরং ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়, যা মানসিক রোগের মূল চিকিৎসা নয়। মনোরোগবিদ্যা বিভাগ থাকা হাসপাতালেও অন্য বিভাগের চিকিৎসকদের মধ্যে মানসিক সমস্যাকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। অনেক হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সেবার ব্যবস্থাও নেই। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ, সচেতনতা বৃদ্ধি ও দক্ষ জনবল গড়ে তোলা জরুরি।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে বিষণ্ণতা ও উদ্বেগজনিত রোগের পাশাপাশি শুচিবায়ু, স্মৃতিভ্রংশ, দ্বিমেরু মেজাজজনিত রোগ, সিজোফ্রেনিয়া ও মাদকাসক্তির মতো সমস্যাও রয়েছে। শিশু-কিশোরদের মধ্যে স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যা, উদ্বেগ ও আচরণগত সমস্যাও দেখা যায়। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সিদের মধ্যে মাদক গ্রহণের হার দেড় শতাংশ এবং ৭ থেকে ১১ বছর বয়সিদের ক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ।
মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বড় বাধা হলো চিকিৎসক ও দক্ষ জনবলের ঘাটতি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন প্রায় ৩৮০ জন, মনোবিজ্ঞানী ৬০০ জন এবং মনোরোগ বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সমাজকর্মী মাত্র ১০ জন। প্রতি এক লাখ মানুষের বিপরীতে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা শূন্য দশমিক ১৯ জন এবং মনোবিজ্ঞানীর সংখ্যা শূন্য দশমিক ৩০ জন।
দেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাধারণ চিকিৎসক রয়েছেন ২১ হাজার ২৬৭ জন, স্বাস্থ্যকর্মী ৯ হাজার ৪০০ জন এবং নার্স ২৮ হাজার ১৬৫ জন। তবে প্রশিক্ষিত জনবল থাকলেও তাঁদের যথাযথভাবে কাজে লাগানো, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং মানুষের নাগালের মধ্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বড় অংশ এখনো বিশেষায়িত হাসপাতাল ও বড় শহরকেন্দ্রিক। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ৪০০ শয্যা, পাবনা মানসিক হাসপাতালে ৫০০ শয্যা এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগে ৪০ শয্যা রয়েছে। বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মনোরোগবিদ্যা বিভাগে শয্যা রয়েছে প্রায় ১৫০টি। জনসংখ্যার তুলনায় এ ব্যবস্থাপনা সীমিত।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. তৈয়বুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি কমাতে সেবার বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। বর্তমানে মূলত রাজধানী ও বিভাগীয় শহরগুলোতে এ সেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারি সেবা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে মনোরোগবিদ্যা বিভাগ প্রতিষ্ঠা এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের পদ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি বলেন, অন্তত পাঁচ বছর পরপর জাতীয় জরিপ হওয়া উচিত। ২০১৯ সালের পর নতুন জরিপ না হওয়ায় দেশের মানুষের বর্তমান মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সুনির্দিষ্টভাবে জানা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টসের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. নিজাম উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, সচেতনতার অভাব, ভুল ধারণা, দক্ষ জনবলের সংকট, অবকাঠামোগত সমস্যা ও অপর্যাপ্ত বাজেট মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বড় বাধা। এসব কারণে অনেক রোগী অপচিকিৎসার শিকার হন। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ, মেডিকেল কলেজে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং বিশেষজ্ঞদের পদ সৃষ্টির বাধা দূর করা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক স্বাস্থ্য বলতে শুধু মানসিক রোগকে বোঝায় না। মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সম্পর্ক, কাজ, পড়াশোনা ও সামাজিক যোগাযোগের সঙ্গেও এটি গভীরভাবে জড়িত। পারিবারিক দ্বন্দ্ব, সম্পর্কের টানাপোড়েন, বেকারত্ব, আর্থিক সংকট, প্রিয়জনের মৃত্যু, বৈষম্য ও মাদকাসক্তি মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। পাশাপাশি ইন্টারনেট ও মুঠোফোনে অতিরিক্ত সময় কাটানো, অনলাইন জুয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।
মানসিক কষ্টকে দুর্বলতা হিসেবে দেখা, চিকিৎসা নেওয়াকে লজ্জার বিষয় মনে করা কিংবা সময়ের সঙ্গে সমস্যা নিজে থেকেই সেরে যাবে বলে ধরে নেওয়ার প্রবণতায় অনেকেই সহায়তা চান না। অথচ বিষণ্ণতা, উদ্বেগ ও অন্যান্য মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির যথাসময়ে চিকিৎসা ও পারিবারিক সহযোগিতা পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক সংকট আত্মহত্যার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত শনাক্তকরণ এবং সহজলভ্য চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক গুরুতর পরিস্থিতি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে তাই শুধু আক্রান্ত ব্যক্তিদের কথা শোনার আহ্বানই জানানো হচ্ছে না; তাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বাস্তব পরিবর্তন আনার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্য দিয়ে যাওয়া মানুষকে শুধু নিজেদের অভিজ্ঞতা বলার সুযোগ দিলেই হবে না। নীতি প্রণয়ন, চিকিৎসাসেবা পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নেও তাঁদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশেও মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে হাসপাতালের গণ্ডি থেকে বের করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও স্থানীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি সামাজিক কুসংস্কার দূর করা, দক্ষ জনবল বাড়ানো, পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং নিয়মিত জাতীয় জরিপের মাধ্যমে পরিস্থিতি মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তার ভাষ্য, শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনমানের উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ে সেবার পরিধি বাড়ানো, দক্ষ জনবল তৈরি, কার্যকর রোগী পাঠানোর ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরামর্শসেবা সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ১৯৯২ সাল থেকে প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হচ্ছে। এবারের আয়োজনের মূল বার্তা—মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তাদের অভিজ্ঞতাকে সম্মান করা এবং সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চিকিৎসা ও সহায়তাব্যবস্থায় কার্যকর পরিবর্তন আনা।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories