বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বৃহস্পতিবার খুলনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত, চাকরি হারালেন জগন্নাথপুরের সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭,৯৬৩ শিশুর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ আজ বিজয়া দশমী, ঢাক-শঙ্খের ধ্বনিতে বিদায়ের সুর লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পানির সংকটে কৃষকের হাহাকার ভিক্ষার অভিযোগে সৌদি আরবে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ প্রবাসী গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন

গণহত্যা দিবসে ঢাবিতে মোমবাতি প্রজ্বালন ও শ্রদ্ধা নিবেদন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৪ বার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে ‘গণহত্যা দিবস’। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের বিভীষিকাময় কালরাত্রির স্মরণে বুধবার (২৫ মার্চ) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
পরবর্তীতে সন্ধ্যায় স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে তার সভাপতিত্বে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ২৫ মার্চের গণহত্যার ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রাধ্যক্ষ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যা ইতিহাসের নিকৃষ্টতম গণহত্যার একটি। এই গণহত্যায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অনেক সদস্যকে আমরা হারিয়েছি। তিনি সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
উপাচার্য বলেন, ২৫ মার্চের গণহত্যার পর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর পরাধীনতার শিকল থেকে জাতি মুক্তি পায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। ফলে এদেশের মানুষকে বার বার আন্দোলন করতে হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ ও ২০২৪ সালে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থান সৃষ্টি হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে এদেশে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও শোষণমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। নতুন সরকারের অধীনে আগামীর বাংলাদেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ভেদাভেদমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচন সভা শেষে উপাচার্যের নেতৃত্বে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা -এ গিয়ে মোমবাতি প্রজ্বলন করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দিবসটি উপলক্ষে রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত জরুরি স্থাপনা ছাড়া পুরো ক্যাম্পাসে এক মিনিটের ‘ব্ল্যাক-আউট’ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories