বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বৃহস্পতিবার খুলনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত, চাকরি হারালেন জগন্নাথপুরের সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭,৯৬৩ শিশুর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ আজ বিজয়া দশমী, ঢাক-শঙ্খের ধ্বনিতে বিদায়ের সুর লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পানির সংকটে কৃষকের হাহাকার ভিক্ষার অভিযোগে সৌদি আরবে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ প্রবাসী গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন

চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘরসহ অনেক স্থাপনাকে এতদিন গুরুত্ব দেয়া হয়নি: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬
  • ৫১ বার

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘরসহ মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্থাপনাকে এতদিন গুরুত্ব দেয়া হয়নি। জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত ঐতিহ্যবাহী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সংস্কার করা হবে। শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকায় অবস্থিত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে আমীর খসরু বলেন, ‘এটার একটা দ্রুত প্রতিকার আমাদের করতে হবে। এই এ রকম একটা হেরিটেজ প্রোপার্টি (ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা), বিশেষ করে যেখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যিনি রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন, দেশকে স্বাধীন করার অন্যতম সাহসী সন্তান, তার স্মৃতি রয়েছে। এই জায়গাতে আমাদের জন্য যথেষ্ট জাতীয় গুরুত্ব রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলছি, এই স্থাপনার অবস্থা ভালো না। এটি একটি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পুরোনো দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটির অবকাঠামোগত অনেকগুলো সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। আবার কোনো ভূমিকম্প হলে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষককে এখানে হত্যা করা হয়েছে। এটি তার স্মৃতিবিজড়িত। এই জাদুঘরের মাধ্যমে তার স্মৃতি ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। বাংলাদেশের সব মানুষের হৃদয়ের একটা আবেগের ব্যাপার আছে। এ জায়গার একটি গাম্ভীর্য আছে। এই স্মৃতি অম্লান। বাংলাদেশের মানুষের জন্য আগামীর ইতিহাসের জন্য তা ধরে রাখতে হবে। এসব কারণে এটার গুরুত্ব আরও বেশি। আর এমনিতেই দেশে ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা বেশি নেই। তাই যেগুলো আছে, সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories