বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বৃহস্পতিবার খুলনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত, চাকরি হারালেন জগন্নাথপুরের সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭,৯৬৩ শিশুর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ আজ বিজয়া দশমী, ঢাক-শঙ্খের ধ্বনিতে বিদায়ের সুর লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পানির সংকটে কৃষকের হাহাকার ভিক্ষার অভিযোগে সৌদি আরবে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ প্রবাসী গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন

মেয়ের হৃদয়বিদারক প্রশ্ন, আমার মাকে কোথায় পাবো

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৪০ বার

নিজ অফিস কক্ষে ছুরিকাঘাতে নিহত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার দশ বছর বয়সী মেয়ে তাইবার কান্নাজড়িত কণ্ঠে করা প্রশ্ন, আমার মাকে কোথায় পাবো?
শনিবার (৭ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবের সামনে আসমা সাদিয়া রুনার হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এমন হৃদয়বিদারক কথা বলে তাইবা। এ সময় সেখানে উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং সৃষ্টি হয় শোকাবহ পরিবেশ।
নিহতের চার সন্তান, পরিবারের সদস্য এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে তাইবা বলে, আমার মা কত আদর করে ঘুম পাড়িয়ে দিত। এখন আমার মাকে কোথায় পাবো? যারা আমার মাকে হত্যা করেছে তাদের ফাঁসি দিতে হবে। আমার ছোট ভাই-বোনগুলো সারারাত ঘুমায় না। আমরাও কাল অনেক রাত করে ঘুমিয়েছি। মা আমাদের খুব আদর করে ঘুম পাড়াত, এখন মাকে কোথায় পাবো?
জানা যায়, নিহত শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনার পৈতৃক বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে এবং শ্বশুরবাড়ি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের বংশীতলা গ্রামে। তার বাবা আশিকুল হক। দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় অয়ন এবং ছোট আলিফ।
নিহত শিক্ষিকার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
পারিবারিক জীবনে আসমা সাদিয়া রুনা চার সন্তানের জননী। তাদের মধ্যে বড় মেয়ে তাইবা (১০) চতুর্থ শ্রেণিতে এবং তাবাসসুম (৭) দ্বিতীয় শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। এছাড়া ছেলে সাজিদ আবরার (৩) এবং সাত মাস বয়সী কন্যা আমেনাকে রেখে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনি।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতির কক্ষে আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কক্ষটি সিলগালা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে ইবি থানায় অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের স্বামী ইমতিয়াজুর সুলতান। পরে আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories