মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হাটখ্যাত হাজির মাজার বস্তি সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির সেপ্টেম্বরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম স্থানীয় সরকার নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ স্পিকারের সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের সাক্ষাৎ ফেডারেশন কাপ তায়কোয়ানডোয় যৌথ চ্যাম্পিয়ন সেনাবাহিনী-বিজিবি গাইবান্ধা, রংপুর ও কুড়িগ্রামে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানে কোনো ঝুঁকি দেখছে না ঢাকা : হুমায়ুন

ইমরান খানকে ‘লন্ডন সোসাইটি লায়ন’ আখ্যা জাতিসংঘের কর্মকর্তার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৩ বার

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বহু আগেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইমরান খানের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে যে আলোচনা চলছিল, তার ইঙ্গিত মিলেছে সদ্য প্রকাশিত ‘এপস্টেইন ফাইলস’-এ। ২০১৩ সালের একটি গোপন ইমেইলে ইমরান খানকে ‘লন্ডন সোসাইটি লায়ন’ বা ‘লন্ডনের অভিজাত সমাজের প্রভাবশালী মুখ’ হিসেবে উল্লেখ করে তাকে পাকিস্তানে পশ্চিমা-সমর্থিত উদ্যোগে কাজে লাগানোর কথা বলা হয়েছিল।
সর্বশেষ প্রকাশিত এপস্টেইন ফাইলসে থাকা গোপন ইমেইলগুলোতে ২০১৩ সালে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের প্রভাব কাজে লাগানোর একটি কূটনৈতিক উদ্যোগের তথ্য উঠে এসেছে। এই ঘটনাগুলো ঘটেছিল ইমরান খানের পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বহু আগেই।
মূলত ইমরান খানকে নিয়ে এই বর্ণনাটি পাওয়া গেছে ২০১৩ সালের জুন মাসে লেখা একটি ইমেইলে। ইমেইলটি পাঠিয়েছিলেন জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা নাসরা হাসান এবং প্রাপক ছিলেন নরওয়ের কূটনীতিক ও সে সময়ের ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট তেরিয়ে রড-লারসেন। ইমেইলে ইমরান খানকে ‘লন্ডন সোসাইটি লায়ন’ বা ‘লন্ডনের অভিজাত সমাজের প্রভাবশালী মুখ’ হিসেবে উল্লেখ করেন নাসরা হাসান।
মূলত কীভাবে পশ্চিমা-সমর্থিত স্বাস্থ্য উদ্যোগগুলো বিশেষ করে টিকাদান কর্মসূচি পাকিস্তানে প্রভাব বাড়াতে পারে সেটাই সেখানে আলোচনা করা হয়েছিল। এই ইমেইলগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত শুক্রবার প্রকাশ করে। জেফ্রি এপস্টেইনের আর্থিক ও পেশাগত নেটওয়ার্ক তদন্তের অংশ হিসেবে এসব নথি প্রকাশ করা হয়।
২০১৩ সালে ইমরান খান ছিলেন বিরোধী দলের রাজনীতিক এবং বিশ্বকাপজয়ী সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। অবশ্য কোনও সরকারি পদে থাকার কারণে নয়, বরং পশ্চিমা দেশগুলোতে সেসময় তিনি মূলত সামাজিক যোগাযোগ ও পরিচিতির জন্য বেশি পরিচিত ছিলেন।
নাসরা হাসানের মতে, এসব সামাজিক যোগাযোগের কারণে সংবেদনশীল কূটনৈতিক ইস্যুতে, বিশেষ করে পোলিও নির্মূল সংক্রান্ত বিষয়ে তৎকালীন নতুন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের চেয়ে ইমরান খানকে বেশি কার্যকর মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দেখা হয়েছিল। ইমেইলে নাসরা হাসান লেখেন, সম্ভবত পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তবে তা নতুন প্রধানমন্ত্রী (তৎকালীন পিএমএল-এন নেতা নওয়াজ শরিফ) নয়, ইমরান খানের মাধ্যমে।
সে সময় ইমরান খানের দল পিটিআই খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের ক্ষমতা নিয়েছিল। ওই প্রদেশে তখনও পোলিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে ছিল এবং টিকাদান কর্মসূচি নানা বাধার মুখে পড়ছিল।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories