মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হাটখ্যাত হাজির মাজার বস্তি সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির সেপ্টেম্বরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম স্থানীয় সরকার নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ স্পিকারের সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের সাক্ষাৎ ফেডারেশন কাপ তায়কোয়ানডোয় যৌথ চ্যাম্পিয়ন সেনাবাহিনী-বিজিবি গাইবান্ধা, রংপুর ও কুড়িগ্রামে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানে কোনো ঝুঁকি দেখছে না ঢাকা : হুমায়ুন

ইরানের দিকে ‘বিশাল নৌবহর’ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪০ বার

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কার মধ্যে ইরানের দিকে একটি ‘বিশাল নৌবহর’ পাঠানোর কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কোনও সংঘাত এড়াতেই চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্টের দাবি, সংঘাত এড়াতেই ওয়াশিংটন এই সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে এবং এখনও সামরিক অভিযান অনিবার্য নয়।
সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, বৃহস্পতিবার দাভোস থেকে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছাকাছি এলাকায় বড় ধরনের নৌ ও সামরিক শক্তি মোতায়েন করছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা জানেন, সতর্কতার জন্য অনেক জাহাজ ওই দিকেই পাঠানো হচ্ছে। আমাদের একটি বড় বহর সেদিকে এগোচ্ছে, এখন দেখা যাক কী হয়’। তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন তেহরানকে খুব কাছ থেকে নজরে রাখছে। তার ভাষায়, ‘ইরানের দিকে আমাদের একটি বড় বাহিনী এগোচ্ছে। আমি চাই না সেখানে কিছু ঘটুক’।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, একটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপসহ অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম ওই অঞ্চলের দিকে পাঠানো হচ্ছে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন, কয়েকটি ডেস্ট্রয়ার ও যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যের দিকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সেখানে অতিরিক্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
অবশ্য উত্তেজনার সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন কিছু নয়। ট্রাম্প আবারও বলেছেন, এই মোতায়েন মানেই যে যুদ্ধ শুরু হবে, তা নয়। তিনি বলেন, ‘আমাদের একটি বিশাল নৌবহর সেখানে যাচ্ছে। হয়তো সেটি ব্যবহারই করতে হবে না। দেখা যাক কী হয়।
এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনও সামরিক অভিযান এড়াতে চান। তবে সতর্ক করে দিয়েছেন যে তেহরান যদি আবার পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র জবাব দেবে।
সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের সংযমের বার্তা আর একই সঙ্গে বিশাল সামরিক শক্তি মোতায়েন— এই দুইয়ের মধ্যে স্পষ্ট বৈপরীত্য ফুটে উঠছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories