বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে পেটাল দুর্বৃত্তরা মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর কুমিল্লায় হাসপাতালে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন গোলাম পরওয়ার : রাশেদ খান প্রকাশ্যে ভারতে বিরোধীতা করলেও তলে তলে আঁতাত করছে জামায়াত: আবু হানিফ বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ: রিজভী রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান চালাল ডিএসসিসি নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় ৩ জনের মৃত্যু

আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫০ বার

নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ব্যর্থ হলে এভাবেই শোক সমাবেশ আর শোকগাঁথা চলতে থাকবে। আর শোকসামেবশ বা শেকগাঁথা নয়, গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামী বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয়গাঁথা রচনা করবে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি এর আগে যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কল্যাণে এই মন্ত্রণালয় দেখভাল করে থাকে। আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই আন্দোলনে যোদ্ধা পরিবারের কিছুটা কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করা হবে। কারণ তারাও এক ধরনের মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে আরেকটি বিভাগ খোলা হবে, যাতে এইসব মানুষদের দেখভাল করা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। এর মধ্যে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন, যাদের এক চোখ হারিয়েছে অথবা কারও দুই চোখই নষ্ট হয়েছে এবং পঙ্গু হয়েছেন অনেকে। জুলাইয়ে যেভাবে দেড় হাজারের মতো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, সেটিকে আমরা গণহত্যা বলতে পারি।
জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ এবং আহত হয়েছেন, তাদের সাহসিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদী শক্তি শুধু ক্ষমতা থেকেই নয়, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, ‘সেসময় স্বাধীনতাকামী সব মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল। ২০২৪ এর আন্দোলন কোনও ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের নয়। অধিকার হারা মানুষের গণ-আন্দোলন। যারা স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনকে দলীয় স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে পরিণত করতে চায়, তাদের বিষয়ে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকামী প্রিয় মানুষকে সজাগ থাকা জরুরি।
গণআন্দোলনে আহতদের দুইভাবে ক্ষতিপূরণ দেয়ার চেষ্টা করতে পারেন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এক- রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা। দুই- মানুষের রাজনৈতিক এবং যোগ্যতা অনুযায়ী তার অর্থনীতি নিশ্চিত করা। হতাহতদের প্রতি রাষ্ট্রের অবশ্যই দায়িত্ব রয়েছে। জনগণের রায়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে পর্যায়ক্রমে তা পূরণ করবে বিএনপি।
নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান। নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ব্যর্থ হলে এভাবেই শোক সমাবেশ আর শোকগাঁথা চলতে থাকবে। আর শোকসামেবশ বা শেকগাঁথা নয়, গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামী বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয়গাঁথা রচনা করবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories