মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হাটখ্যাত হাজির মাজার বস্তি সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির সেপ্টেম্বরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম স্থানীয় সরকার নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ স্পিকারের সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের সাক্ষাৎ ফেডারেশন কাপ তায়কোয়ানডোয় যৌথ চ্যাম্পিয়ন সেনাবাহিনী-বিজিবি গাইবান্ধা, রংপুর ও কুড়িগ্রামে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানে কোনো ঝুঁকি দেখছে না ঢাকা : হুমায়ুন

মধ্যপ্রাচ্যে ৫৯ প্রবাসীর দণ্ড, খালাস পান ২৩

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৩ বার

বড়দিনের দিনে দাঙ্গা, ভাঙচুর এবং জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে ৫৯ প্রবাসী শ্রমিককে কারাদণ্ড দিয়েছে ওমানের একটি আদালত। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশন এ তথ্য জানিয়েছে।
পাবলিক প্রসিকিউশনের তদন্তে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বেদবেদ প্রদেশের সা’আল এলাকায় একটি কোম্পানির মালিকানাধীন আবাসিক কমপ্লেক্সের আশপাশে শ্রমিকদের একটি বড় জমায়েত হয়। ওই সময় তারা সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তিতে ভাঙচুর চালায় এবং অন্যদেরও জমায়েতে উসকানি দেয়। খবর খালিজ টাইমসের।
ঘটনার খবর পেয়ে রয়্যাল ওমান পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে শ্রমিকদের একটি বড় সমাবেশ দেখতে পায়। পুলিশ জানায়, কোম্পানির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর করা হয়, কোম্পানির বাস চলাচল ব্যাহত করা হয় এবং একাধিক যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ শ্রমিকদের জমায়েত ও ভাঙচুর বন্ধের নির্দেশ দিলেও তারা তা মানতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
আদালতের রায়: আইনি প্রক্রিয়া শেষে মামলাটি সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হলে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ আদালত ৫৯ জনকে চারটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন। অভিযোগগুলো হলো- জমায়েতে উসকানি ও উৎসাহ প্রদান (দণ্ডবিধির ১২৩ ধারা), ১০ জনের বেশি মানুষের অবৈধ জমায়েতে অংশগ্রহণ, যা জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে পারে (দণ্ডবিধির ১২১ ধারা), অন্যের অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তি ক্ষতিসাধন (দণ্ডবিধির ৩৬৭ ধারা) ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে জনশৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে—এমন কনটেন্ট তৈরি, সংরক্ষণ ও প্রচার (সাইবার অপরাধ আইনের ১৯ ধারা)।
আদালত প্রতিটি অপরাধের জন্য আলাদাভাবে সাজা ঘোষণা করেন। প্রথম অভিযোগে ৩ মাসের কারাদণ্ড, দ্বিতীয় অভিযোগে ৬ মাসের কারাদণ্ড, তৃতীয় অভিযোগে ১ বছরের কারাদণ্ড, চতুর্থ অভিযোগে ১ বছরের কারাদণ্ড।
এছাড়া, অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ এবং সাজা শেষে দোষীদের স্থায়ীভাবে দেশ থেকে বহিষ্কার করার নির্দেশও দেয়া হয়েছে। একই মামলায় ২৩ জন আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories