বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেছেন, বাংলাদেশ হলো খামারিদের দেশ, কৃষকের দেশ। এখন থেকে ২৫ বছর পর এখানকার প্রতিটি গ্রাম সিঙ্গাপুর মডেলে পরিণত হবে। প্রতিটা গ্রামে উচ্চফলনশীল চাল উৎপাদন, কমিউনিকেশন, মানুষের আর্থিক অবস্থার উন্নতি এমনকি প্রতিটা উপজেলা থেকে হেলিকপ্টার সার্ভিসে উপনীত হবে। এটা নিশ্চিত করে বলছি- কারণ দেশ প্রযুক্তি, গবেষণায় অনেক এগিয়েছে
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কর্মকর্তাদের নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘বীজের গুনগত মান ও স্বাস্থ্য’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বাকৃবি উপাচার্য বলেন, ‘বীজ কৃষি খাতের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, নতুন জীবনের সম্ভাবনার উৎস। উচ্চ মানের বীজ হলে ফলন বৃদ্ধি পায়। আবার একই সঙ্গে বীজ বিভিন্ন প্যাথজেনের বাহক হতে পারে। যা ক্রপ সেক্টরে হুইট ব্লাস্টের মতো বিধ্বংসী রোগ ছড়িয়ে ফসলের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই দেশের বীজ সেক্টরকে উন্নত করতে হলে বাকৃবির সীড প্যাথলজি সেন্টারের সঙ্গে বিএডিসি ও সরকারের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের আল্টিমেট লক্ষ্য কৃষকের কাছে যাওয়া, তাদের গুণগত বীজের চাহিদা পূরণ করা।
প্রফেসর গোলাম আলী ফকির সীড প্যাথলজি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন স্যারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো শহীদুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, বিএডিসি ঢাকার গবেষণা সেলের প্রধান বীজ প্রযুক্তিবিদ ড. মো নাজমুল ইসলাম, প্ল্যান্ট প্যাথলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. ইসলাম হামীম। কর্মশালার কোর্স কোঅর্ডিনেটর হিসেবে আছেন ড. মো. মাহমুদুল হাসান চৌধুরী। কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন বিএডিসি’র ২০ জন কর্মকর্তা।
Leave a Reply