বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীর স্টেশন রোডে মাইশা হাসপাতালে আবারো রোগীর মৃত্যু !! টাকার বিনিময়ে দফারফা চিহ্নিত দালাল চক্রের হাতে জিম্মি টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল সরকারি হাসপাতাল সারা দেশে উদ্যোক্তা বিপ্লবের লক্ষ্যে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিটেক ওয়ার্ল্ড পিএলসি’ গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত আরো এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু ১১ দলীয় ঐক্য জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা জব্দ ইরানি জাহাজের ৬ ক্রুকে ছেড়ে দিলো যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নতুন প্রস্তাবের যে বিষয়টিতে ট্রাম্পের আপত্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হত্যা ও গুমসহ ১৮৫৫টি মামলা দায়ের: আইনমন্ত্রী

যশোরের সাদ্দাম হোসেন টাকা হাতিয়ে নিতেন ডিসি-এসপি পরিচয়ে

জেলা প্রতিনিধি, নওগাঁ
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১
  • ২১৫ বার

নওগাঁয় ভুয়া ডিসি, পুলিশ সুপার, ডাক্তার ও সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন পেশার পরিচয়দানকারী এক প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম সাদ্দাম হোসেন। তিনি যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার আটুলিয়া গ্রামের কাওছার আলীর ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া।সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, সাদ্দাম হোসেন বিভন্ন সুন্দরী মেয়েদের পটানোর কৌশল হিসেবে সে নিজের লাইফ স্টাইল চেঞ্জ করে। অনলাইন ম্যারেজ মিডিয়াগুলোতে কখনো আমেরিকা সিটিজেন, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী, ডিসি, পুলিশ সুপার, ডাক্তার, সেনাবাহিনী ও নিজেকে বড় ব্যবসায়ী পরিচয়ে অবিবাহিত দেখে বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজার বিজ্ঞপ্তি দেয়। এরপর বিভিন্ন সুন্দরী মেয়ের সাথে চ্যাটিং-এর শুরুতেই তাদের ছবি নেয়। তারপর প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিদেশ নেওয়ার কথা বলে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকার পাশাপাশি মেয়েদের কাছ থেকে ব্যাংক চেকও নিয়ে রাখে। পাশাপাশি সে মেয়েদের সাথে শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে রাখে।

তিনি আরো বলেন, জেলার এক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের ছেলে মারা যাওয়ায় বিষন্নতায় ভুগছিলেন। এই সুযোগে সাদ্দাম ওই ভাইস চেয়ারম্যানের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলে।  তাকে বিভিন্নভাবে সরকারের উচ্চ মহলের সাথে যোগোযোগ আছে বলে বিশ্বাস করায়। তারপর তার কাছ থেকে উপজেলা চেয়ারম্যানের টিকিট নিয়ে দেওয়ার কথা ও আশ্রয়ণ প্রকল্প পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকা নেওয়ার পর থেকে তার সাথে যোগায়োগ বন্ধ করে দেয়। সোমবার সে জানতে পারে সাদ্দাম তার স্ত্রীকে নিয়ে শহরের একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থান করছে। সে বিষয়টি পুলিশকে জানালে স্ত্রীসহ তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, আটকের পর তার মোবাইল ফোন থেকে দেখা যায় সে অবৈধ ভার্চুয়াল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসায়ীর সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

এসময় অতিরিক্তি পুলিশ সুপার একেএম আল মামুন চিশতী ও গাজীউর রহমানসহ পুলিশের কতর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories