মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী আজ মহানবমী পূঁজা, শুরু দেবীর বিদায়ের ক্ষণগণনা আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত ৯ মাসে মব সহিংসতায় নিহত-১৮৭ রংপুরে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে সৈয়দপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নাটোরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে-১৪ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঁচ বিষয়ে জোর ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা বিএনপি সরকারের ৮ মাসে পদ হারালেন ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এক এমপি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যজনক ফেসবুক পোস্ট

সৌদিতে আটকে পড়া ভারতীয় যুবকের আর্তনাদ, ‘আমি এখানে মারা যাব, আমাকে বাঁচান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫২ বার

সৌদি আরবে আটকা পড়ে দেশে ফিরে যেতে না পেরে এক ভারতীয় যুবকের সাহায্যের আর্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
১ মিনিট ৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, চারপাশে ধূ ধূ করছে মরুভূমি। তার মাঝে উটের গলায় লাগানো দড়ি ধরে হাঁটছে এক যুবক। করুণ আকুতি জানিয়ে তিনি বলছেন, ‘আমি বাড়ি ফিরতে চাই। আমাকে সাহায্য করুন। না হলে আমি মরে যাব!
ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজ জেলার এই যুবক অভিযোগ করেছেন, তার কফিল (স্পন্সর) তার পাসপোর্ট আটক করে রেখেছে এবং মৃত্যু পর্যন্ত হুমকি দিচ্ছে। বিষয়টি নজরে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে সৌদি আরবে থাকা ভারতীয় দূতাবাস। ওই যুবকের ব্যাপারে খোঁজ নেয়া শুরু করেছে তারা।
দিল্লি-ভিত্তিক এক আইনজীবী ভিডিওটি শেয়ার করেন, যেখানে ওই যুবক ভোজপুরি ভাষায় কাঁদতে কাঁদতে নরেন্দ্র মোদী ও এস জয়শঙ্করের দৃষ্টি আকর্ষণের অনুরোধ জানান।
ভিডিওতে কাঁপা গলায় ওই যুবক বলেন, আমার গ্রাম আল্লাহাবাদে… আমি সৌদি আরবে এসেছি। কফিল আমার পাসপোর্ট রেখে দিয়েছে। আমি দেশে ফিরতে চাই বলতেই আমাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। ভিডিওটা সবাই শেয়ার করুন, প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত পৌঁছাক। আমাকে বাঁচান… আমার মায়ের কাছে ফিরতে হবে।
ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, ভিডিওটির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। তবে বিষয়টি নজরে নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে ভারতীয় দূতাবাস।
এদিকে ভিডিওটি এমন এক সময় সামনে এসেছে যখন সৌদি আরব বহুল সমালোচিত কাফালা ব্যবস্থা বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবস্থায় বিদেশি শ্রমিকদের জীবনযাত্রা, ভিসা ও কর্মস্থল নিয়ন্ত্রণ করত নিয়োগকর্তারা। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ব্যবস্থাকে আধুনিক দাসত্বের সঙ্গে তুলনা করে আসছিল।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories