বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, মেয়ে আশঙ্কাজনক জামায়াতের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সম্পর্ক প্রমাণিত: রিজভী দেশে সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী রাঙামাটির সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে, প্রশ্ন শফিকুর রহমানের ফের অবরোধ, বিশেষ নিরাপত্তায় রাঙ্গামাটির সাজেক ছাড়লো ২৯০০ পর্যটক রাঙ্গামাটির সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গোলাগুলি কক্সবাজারে সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ-২ বিভ্রান্তিকর সংবাদে ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়ার মেলা, বন্ধ না করার আহ্বান এক গ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামও ইরান থেকে সরানো হবে না: রেজায়ি অগ্রহণযোগ্য, নির্বোধ মন্তব্য ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পের কথার জবাবে মাক্রোঁ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে কী তরুণরা চাকরি সংকটে পড়ছেন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬০ বার

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ধীরে ধীরে কর্মক্ষেত্রে নিজেদের স্থান করে নিচ্ছে এমন কথা বলেন অনেকেই। এবার জানা গেল এআইয়ের প্রভাব ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাকরির বাজারে পড়তে শুরু করেছে, বিশেষ করে তরুণ কর্মীদের ওপর। গোল্ডম্যান স্যাকসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের হার কমছে, যা শুরু হয়েছে ২০২২ সালের নভেম্বরে আর ঠিক সেই সময়া চ্যাটজিপিটি আসে।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালের শুরু থেকে ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে, যা সামগ্রিক বেকারত্ব বৃদ্ধির চেয়ে চার গুণ বেশি। গোল্ডম্যান স্যাকস মনে করছে, এআই এখন মূলত এন্ট্রি-লেভেল বা প্রাথমিক ধাপের সাদা কলারের চাকরিগুলো দখল করছে।
মার্কিন অর্থনীতিবিদ ইয়ান হ্যাটজিয়াস পূর্বাভাস দিয়েছেন, আগামী এক দশকের মধ্যে এআই ৬ থেকে ৭ শতাংশ মার্কিন কর্মীকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেবে। তবে তিনি এটাও বলেছেন, এ কারণে বেকারত্বের হার মাত্র ০.৫ শতাংশ বাড়বে, কারণ এআই দ্বারা প্রভাবিত কর্মীরা অন্য খাতে চলে যাবেন। এরই মধ্যে অ্যামাজন, অ্যানথ্রপিকসহ অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে। কনটেন্ট, কাস্টমার সার্ভিস, অপারেশন এবং মানবসম্পদ বিভাগ—যেখানে জেনারেটিভ এআই খুব সহজেই কাজ করতে পারে—সেসব জায়গা থেকেই চাকরি হারাচ্ছেন অনেকে। যদিও এসব কোম্পানি এই পরিবর্তনকে ‘দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়াস’ হিসেবে দেখাতে চায়, কিন্তু বাস্তবে এর পেছনে এআইয়ের প্রভাবই বড় কারণ বলে ধরা হচ্ছে।
তবে এই পরিস্থিতিতেও কিছু পেশায় এখনো ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যেমন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য এখনও বাজার উন্মুক্ত। ফেসবুকের মূল কোম্পানি মেটা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য মিলিয়ন ডলারের বেতনের প্রস্তাব দিচ্ছে। লিংকডইনের তথ্য অনুযায়ী, এআই ইঞ্জিনিয়ার এখন মার্কিন কলেজ গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল চাকরির তালিকায় রয়েছে। এর পরেই রয়েছে ডেটা সেন্টার টেকনিশিয়ান এবং সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ার। এদিকে, ভারতে এআইয়ের প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম। বরং, আরও বেশি বিদেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভারতে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে এবং নতুন নতুন অফিস খুলছে। তাই ভারতের তরুণদের জন্য এখনো কিছুটা স্বস্তির বার্তাই বটে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories