বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীর স্টেশন রোডে মাইশা হাসপাতালে আবারো রোগীর মৃত্যু !! টাকার বিনিময়ে দফারফা চিহ্নিত দালাল চক্রের হাতে জিম্মি টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল সরকারি হাসপাতাল সারা দেশে উদ্যোক্তা বিপ্লবের লক্ষ্যে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিটেক ওয়ার্ল্ড পিএলসি’ গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত আরো এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু ১১ দলীয় ঐক্য জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা জব্দ ইরানি জাহাজের ৬ ক্রুকে ছেড়ে দিলো যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নতুন প্রস্তাবের যে বিষয়টিতে ট্রাম্পের আপত্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হত্যা ও গুমসহ ১৮৫৫টি মামলা দায়ের: আইনমন্ত্রী

জয়পুরহাটে আবু সালাম হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০২৪
  • ৭০ বার

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার একটি ভ্যানের জন্য আবু সালাম হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদন্ড ও প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড প্রদান করেছে জয়পুরহাটর একটি আদালত।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মৃত্যুদন্ডের এ রায় ঘোষণা করেন জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ নুরুল ইসলাম। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন । মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার নির্দেশনা প্রদান করে রায় দেয় আদালত।
জয়পুরহাট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল জানান, মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলেন জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলার আওড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে হারুন অর রশিদ, মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মোস্তাক আহম্মেদ ও জসিম উদ্দিনের ছেলে হাফিজার রহমান। রায় ঘোষণার সময় হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হারুন অর রশিদ আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর জয়পুরহাট সদরের দুর্গাদহ বাজার থেকে সাজা প্রাপ্ত আসামিরা আবু সালামের ভ্যান ভাড়া করে কালাই যায়। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আবু সালাম কে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর আওড়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের পারিবারিক কবরস্থানে পুরাতন কবরে লুকিয়ে রেখে ভ্যান নিয়ে পালিয় যায়। পরের দিন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে কালাই থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মির্জা মো. শাহাজাহান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালাই থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আ. সাত্তার ২০০৫ সালের ৯ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শুধু ভ্যানটি নেওয়ার জন্যই ভ্যান চালক আবু সালামকে খুন করে। পরে ভ্যানটি ২০০০ টাকায় বিক্রি করে নিজেরা ওই টাকা ভাগ করে নেয়।
মামলায় ৭ জনের সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আজ মঙ্গলবার কালাই উপজেলার ভ্যান চালক আবু সালাম হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদন্ড ও প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড প্রদান করে রায় দেন আদালত।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories