ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাজীপুরের টঙ্গীতে পাইকারি ডিমের বাজারে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানকালে পাঁচটি আড়তে মূল্য তালিকা না থাকা ও বেচাকেনার রসিদে গরমিল দেখা গেলে জরিমানা আদায় করে সংস্থাটি।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে টঙ্গীর নতুন বাজার এলাকার ডিমের আড়তে এ অভিযান পরিচালনা করা হয় । এ অভিযানে ঢাকা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডলের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় বাজারের আল্লাহর দান ডিমের আড়ত, লামিয়া ডিমের আড়ত, রুপালী ডিমের আড়ত, ইদ্রিস ডিমের আড়ত, জিলানী ডিমের আড়তের ৫ ব্যবসায়ীর প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
গাজীপুর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট ধরতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাঠে নেমেছে। দিন দিন বেড়েই চলেছে আমিষের সবচেয়ে বড় উৎস ডিমের দাম। এরই মধ্যে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়ে প্রতি হালি লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫৫/৬০ টাকা ও সাদা ডিমের হালি প্রতি ৫০/৫৫ টাকা দরে। খুচরা প্রতিটি ডিম বিক্রি করা হচ্ছে ১৫ টাকা দরে। আর প্রতি ডজন হিসাবে ডিমের দাম উঠেছে ১৮০ টাকায়।
এ ছাড়া দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা ডজন দরে। হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। সোনালি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০/৭০ টাকা। আর ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০/২০০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের শত বিক্রি হচ্ছে ১,৫০০/১৭০০ টাকায়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল জানান,মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে উৎপাদন পর্যায়ে ১০ টাকা ৫০ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ১২ টাকা ডিমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি নিশ্চিত করতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যারাই এর ব্যাত্যয় ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply