বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে পেটাল দুর্বৃত্তরা মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর কুমিল্লায় হাসপাতালে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন গোলাম পরওয়ার : রাশেদ খান প্রকাশ্যে ভারতে বিরোধীতা করলেও তলে তলে আঁতাত করছে জামায়াত: আবু হানিফ বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ: রিজভী রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান চালাল ডিএসসিসি নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় ৩ জনের মৃত্যু

মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের অসমান্য অবদান ছিলো: রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৫৬ বার

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, আমাদের বুদ্ধিজীবীরা তাদের মেধা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ, শিল্প-সাহিত্যের চর্চা ও ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরি এবং যুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারকে বুদ্ধিবৃত্তিক পরামর্শ দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন।আগামীকাল ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে বলেন, ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পীসহ বহু গুণীজনকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

রাষ্ট্রপতি জাতির সূর্যসন্তান শহিদ বুদ্ধিজীবীদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন। তিনি শহিদ পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।তিনি বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে ধীরে ধীরে মুক্তি সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত করেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার সাথে সাথে গোটা জাতি মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনে চূড়ান্ত বিজয়।রাষ্ট্রপতি বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের নিশ্চিত পরাজয় আঁচ করতে পেরে জাতিকে মেধাশূন্য করার হীন উদ্দেশ্যে স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার-আলবদর-আল শামস বাহিনীর সহযোগিতায় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকাসহ সারাদেশে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। নির্মমভাবে হত্যা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। ২৫ মার্চ কালরাত থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময়জুড়েই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। তবে বিজয়ের প্রাক্কালে এ হত্যাযজ্ঞ ভয়াবহ রূপ নেয়। দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবীদের নির্মম হত্যাকান্ড ছিল জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। শহিদ বুদ্ধিজীবীদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাঁদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে বলে তিনি মনে করেন।

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের ত্যাগ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে তিনি প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories