বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে পেটাল দুর্বৃত্তরা মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর কুমিল্লায় হাসপাতালে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন গোলাম পরওয়ার : রাশেদ খান প্রকাশ্যে ভারতে বিরোধীতা করলেও তলে তলে আঁতাত করছে জামায়াত: আবু হানিফ বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ: রিজভী রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান চালাল ডিএসসিসি নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় ৩ জনের মৃত্যু

নয়াপল্টনে বিএনপির কর্মীদের জড়ো হওয়ার চেষ্টা, পুলিশের ধাওয়া

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৫৭ বার

গতকাল পুলিশি অভিযানে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বিভিন্ন নেতাকর্মীরা আবারও পল্টন নাইটেঙ্গেল মোড়ে এসে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করছেন।তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন। কেউ কাউকে চেনেন না। পুলিশ তাদের সরিয়ে দিলেও অল্প অল্প করে তারা আবারও জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন এবং কর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন। 

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ ব্যারিকেডের সামনে এ ঘটনা ঘটে।এদিকে, নাইটিঙ্গেল মোড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদেন ধাওয়া দিয়েছে পুলিশ। এসময় কয়েকজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে আরশাদ নামের এক যু্বকের নাম জানা গেছে।

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা থেকে আসা বিএনপি কর্মী সোহেল জানান, তিনি গতকাল বুধবার সমাবেশে যোগদান করতে ঢাকায় এসে কার্যালয়ে অবস্থান নেন। গতকাল বিকালে কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালালে তিনি বিচ্ছিন্ন হয়ে সরে যান।সোহেল বলেন, ‘আমরা হাতিয়া উপজেলা থেকে অনেক নেতাকর্মী এসেছি। এর মধ্যে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে বলে শুনেছি। আজ আমি এখানে একাই। আশা করি আমার উপজেলার বাকিরাও আসবে।’

পাশে স্লোগান দেওয়া আরেক কর্মীর পরিচয়ের বিষয়ে সোহেলকে জিজ্ঞাস করলে বলেন, ‘এইখানে আমরা কেউ কারও পরিচিত না। সবাই বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছি।’ বিএনপির নেতাদের পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এখানেই অবস্থান নেবেন বলে জানান তারা।এর আগে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে কাকরাইল নাইটিঙ্গেল মোড়ে আসেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কিন্তু পুলিশের বাঁধায় নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেতে পারেননি তিনি। ফিরে যাওয়ার সময় মির্জা ফখরুল বলেন, সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। ১০ তারিখের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে নস্যাৎ করে দেওয়ার জন্য সরকারের হীন পরিকল্পনা করছে। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য মানুষের অধিকারকে ধ্বংস করার জন্য আমাদের রাজনৈতিক অধিকারকে হরণ করার জন্য তারা এ কাজগুলো করেছে। আমি যদি আমার নিজের অফিসে যেতে না পারি তাহলে কি করে একজন মানুষ রাজনৈতিক কাজ করবে।বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপির পার্টি অফিসে কোনো ধরনের বিস্ফোরক ছিল না। পুলিশ এসব বোমা রেখেছে। বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ নসাৎ করতে, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য, মানুষের অধিকারকে ধ্বংস করার জন্য সরকারের হীন পরিকল্পনা করছে। গণতান্ত্রিক অধিকার না থাকলে কীভাবে একটি গণতান্ত্রিক দল কাজ করবে। 

তিনি বলেন, সাংবিধানিক অধিকার স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ এখন নেই। গণতান্ত্রিক অধিকারতো দূরের কথা মানুষ সভ্য সমাজে বাস করছে না। সরকারের এধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান।বিএনপি অফিস খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের মুক্তি ও নিহতদের হত্যার তদন্তের দাবি জানান ফখরুল। আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার গণসমাবেশ সুন্দর সুষ্ঠুভাবে করতে সরকারের কাছে দাবিও জানান বিএনপি মহাসচিব।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories