বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন

ছাত্রলীগকে অপপ্রচারের জবাব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১১১ বার

ছাত্রলীগকে বিএনপি-জামায়াতের অপপ্রচারের জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, জবাব দেওয়া বেশি কিছু না। তারা যেটা লিখবে, সেখানে তারা অতীতে কী করেছে, সেটা লিখে দিলেই হয়। এরপর আর তারা অপপ্রচার করবে না। এটা ছাত্রলীগ ভালোভাবেই করতে পারবে।

আজ মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটা শ্রেণি গুজব ছড়াচ্ছে। তারই ফলশ্রুতিতে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এটা চোরের সঙ্গে সখ্যতা কি না, জানি না। আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। প্রতিটি ব্যাংকে পর্যাপ্ত টাকা আছে। অতএব গুজবে কান দেবেন না।
শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্ররা শিক্ষাগ্রহণ করবে। শিক্ষাগ্রহণ করে উপযুক্ত নাগরিক হবে, দেশের দায়িত্বভার নেবে, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমি বলেছিলাম, কেবল নিজেরা না, যখন ছুটিতে বাড়িতে যাবে কোনো নিরক্ষর মানুষ পেলে তাদের স্বাক্ষর-জ্ঞান দেবে। ছাত্রলীগ সেটাই করেছিল। নিজ নিজ গ্রামে তারা শিক্ষা ছড়িয়েছিল এবং তার রিপোর্টও আমাকে দিয়েছিল।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ৪ জাতীয় নেতা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও নির্যাতিতদের স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন, বিজয়ের মাসে ছাত্রলীগের সম্মেলন হচ্ছে। ছাত্রলীগের সব নেতা-কর্মীকে বিজয়ের মাসের অভিনন্দন জানাচ্ছি। কারণ, এ দেশের প্রতিটি সংগ্রামেই ছাত্রলীগের অবদান রয়েছে।সরকারপ্রধান বলেন, প্রতিটি আন্দোলনে শহীদের তালিকা যদি দেখি, সেখানে ছাত্রলীগের শহীদের তালিকাই বড়। ৭৫-এর পর জিয়াউর রহমান যখন অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতা দখল করে। প্রতিবাদকারী হাজারো সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনীর অফিসারদের জিয়াউর রহমান যেমন হত্যা করেছে, ঠিক একইভাবে ছাত্রলীগের নেতা সেই বাবুসহ অনেককে গুম করে নিয়ে গেছে। তাদের পরিবার লাশও পায়নি। এভাবে অত্যাচার নির্যাতন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক— সেই আন্দোলন আমরা করেছিলাম। সেই আন্দোলনের ফসল স্বৈরাচার এরশাদের পদত্যাগ হয়েছিল এই ৬ ডিসেম্বর। কাজেই গণতন্ত্র মুক্তি দিবস হিসেবে এই দিনকে আমরা পালন করতাম।তিনি বলেন, যখনই তারা ক্ষমতায় আসে, আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার-নির্যাতন চালায়। শুধু ক্ষমতায় থাকলেই না, ক্ষমতার বাইরে থাকলেও তাদের অগ্নিসন্ত্রাস চলে। ২০১৩ সালে আন্দোলনের নামে অগ্নিসন্ত্রাস করে প্রায় ৩ হাজার মানুষকে অগ্নিদগ্ধ করে, ৫০০ মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মারে। সাড়ে ৩ হাজারের ওপর গাড়ি, বাস, লঞ্চ, রেল পুড়িয়ে দেয়। কোনো কিছুই ওদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। এটাই তাদের চরিত্র।এ সময় খাদ্য ও বিদুৎ-জ্বালানি ব্যবহারে আরও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories