জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এবং গাজীপুরের রত্ন , শ্রমজীবি মানুষের অহংকার জন-নন্দিত সাংসদ শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার স্যারের আদর্শ বুকে ধারন করে, স্বাধীন বাংলা ও বাঙ্গালীর গনতন্ত্রের মানসকন্যা মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহান মুক্তিযুদ্ধের স্ব-পক্ষের একমাত্র রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাজনীতিতে আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত ছিলাম এবং আছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা তথা আওয়ামীলীগ রাজনীতি আমি ও আমার পরিবাবের রক্তের সাথে মিশে আছে।
আশির দশকে যখন ছাত্র ছিলাম তখন ছাত্রলীগ সমর্থ এবং ৯০ এর আন্দোলনে অংশগ্রহন। পরবর্তীতে যুবলীগ কর্মী হিসেবে আওয়ামী পরিবারের রাজনীতি করতে গিয়ে বিগত বিএনপি জামাত জোট সরকারের রোষানলের শিকার হয়েছি। মামলা হামলার শিকার হয়ে জেল কেটেছি। অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হয়েছি। তবু থেমে থাকিনি কখনো। পরবর্র্তিতে মুক্তিযুদ্ধের স্ব-পক্ষের দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করলে আমি সক্রিয় ভাবে দলের একজন যুবলীগ কর্মী এবং দাতা হিসেবে কাজ শুরু করি। সেই থেকে আজ অবধি দলের সুনাম অক্ষুন্ন রেখে সততা এবং নিষ্ঠার সাথে দলের সকল প্রকার কার্যক্রম চালিয়ে আসছি ।

আমি আশা করছি, আমার আর্দশিক নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, প্রিয় শিক্ষক শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার স্যারের আর্দশকে বুকে ধারণ করে এবং প্রিয় নেত্রী গনতন্ত্রের মানসকন্যা মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং আমার ও গাজীপুরবাসীর প্রিয় অভিভাবক যুব সমাজের অহংকার, গনপ্রজাতন্ত্রীক বাংলাদেশ সরকারের সুযোগ্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের শ্রদ্ধাভাজন সভাপতি এ্যাড. আজমত উল্লাহ খান, মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মানবতার ফেরিওয়ালা মতিউর রহমান মতি ভাইসহ সর্বস্তরের আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ আমার অহংকার। আমার প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের টঙ্গী পূর্ব থানার সকল নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে একনিষ্ট ভাবে আমি দলের সকল নেতাকর্মীদের সুখে দুঃখে পাশে থাকবো এবং সর্বদা দলকে সু-সংগঠিত রাখবো সেই প্রত্যাশা নিয়ে আমি টঙ্গী পূর্ব থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রার্থী হয়েছি। আওয়ামীলীগ ও দলীয় অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ টঙ্গীবাসী আমার জন্য দোঁয়া করবেন, আমি যেনো বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ একজন কর্মী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দলের সাংগঠনিক সকল প্রকার কার্যক্রম এবং জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে দেশের সকল উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সততা, নিষ্টা, একাগ্রতায় নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পারি।
এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন নব্বই দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজধানী ঢাকার রাজপথ কাঁপানো তৎকালীন ছাত্রলীগ সমর্থক এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, একজন দক্ষ সংগঠক এবং বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী থানা যুবলীগের সহ-সভাপতি এবং ৫৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ১ নং যুগ্ম আহবায়ক, টঙ্গীস্থ বৃহত্তম ময়মনসিংহ সমন্বয় পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, সিলমি কনট্রাকশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মেসার্স নিশান বিল্ডার্স এর ভাইস চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান টিটু।

বিশ্বস্থ এবং বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মো. মোস্তাফিজুর রহমান টিটু’র নানা মৃত রইস উদ্দিন আহম্মেদ বাংলাদেশ রেলওয়ের সুপারেন্ট্যান্ড এবং বাবা মৃত. হাজী মো. আব্দুল আজিজ জেনারেল পোষ্ট মাষ্টার হওয়ার সুবাদে রেলওয়ে কোয়াটারে ১৯৭৩ সালের ৫ জানুয়ারী মাতা মোছা. রওশন আরা আজিজের কোল আলো করে সময়ের আলোকিত এই মানুষটি জন্মগ্রহন করেন এবং শিশুকাল কাটে ওইখানে। পরবর্তীতে নানা ও পিতার সরকারী চাকুরির সুবাধে পৈত্রিক বাড়ি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানাধীন বীর হাজিপুর গ্রামের সভ্রান্ত এই মুসলিম পরিবারটি রাজধানী ঢাকার মালিবাগ চৌধুরী পাড়ায় স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করেন। বোনহীন চার ভাইয়ের মধ্যে মো. মোস্তাফিজুর রহমান টিটু দ্বিতীয়। ১৯৯৮ সালে তিনি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার গৌড়িপুর সাহাপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে এবং রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা, সেই সাথে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকার মো. আবুল কালাম আজাদ এর সুযোগ্য কন্যা ও সিলমি কনট্রাকশনের চেয়ারম্যান তাসলিমা আক্তারকে বিয়ে করেন। তিনি এক কন্যা সন্তানের জনক।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মো. মোস্তাফিজুর রহমান টিটু’র স্কুল জীবন কাটে সেগুন বাগিচা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাইমারী শিক্ষা শেষে খিলগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং কিশোরগঞ্জ ওয়ালী নেওয়াজ খান ডিগ্রি কলেজে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র থাকা অবস্থায় একজন ছাত্রলীগ সমর্থক হিসেবে আশির দশকের শেষদিকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ফলে লেখা পড়া আর বেশীদুর এগুতে পারেননি। ১৯৯০ সালে তিনি রাজধানী ঢাকার ২৩ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য ছিলেন।

পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে ব্যবসায় মনোনিবেশ করলে আওয়ামী পরিবারের একজন দাতা সদস্য হিসেবে নিজেকে দলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে আত্বপ্রকাশ করেন। বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে ৯১ সালে ক্ষমতায় আসা বিএনপি জামাত জোট সরকারের রোষাণলে পড়েন তিনি। তারপর থেকে একের পর এক মামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একাধিক হামলা, শারীরিক অত্যাচার, নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এরপর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রসার ঘটাতে ১৯৯৪ সালে তিনি টঙ্গীতে এসে টঙ্গীর আওয়ামীলীগ পরিবারের সাথে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িয়ে পড়েন এবং দলের নেতাকর্মীদের কাছে একজন দাতা হিসেবে সুপরিচিতি পান।
দ্বিতীয় বার বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে তাকে পুনরায় মামলা হামলার শিকার হয়ে জেলে যেতে হয়। তৎসময় তার বিরুদ্ধে ১০/১১ টি রাজনৈতিক মামলা হওয়ার পর বর্তমান সরকারের আমলে সেগুলো নিস্পত্তি হয়। দীর্ঘপ্রায় দুই যুগের অধিক আওয়ামীলীগ পরিবারের একজন দাতা, একজন দক্ষ কর্মী, একজন সংগঠক, একজন সমাজ হৈতর্ষী হিসেবে কাজ করছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান টিটু। তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) এর পক্ষ থেকে গত ২০১০ সালে টঙ্গীর একজন শ্রেষ্ট সংগঠক হিসেবে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। মো. মোস্তাফিজুর রহমান টিটু মনে করেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এবং গাজীপুরবাসীর নয়নের মনি শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার স্যারের আদর্শ বুকে ধারন করে এবং গনতন্ত্রের মানসকন্যা মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহান মুক্তিযুদ্ধের স্ব-পক্ষের রাজনৈতিক একমাত্র দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগসহ দলের সকল তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ আমাকে টঙ্গী পূর্ব থানা আওয়ামীলীগের কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করলে আমি স্থানীয় আওয়ামীলীগ পরিবারের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সু-সংগঠিত করে দলের অগ্রযাত্রা আরো বেগমান করতে পারবো বলে শতভাগ প্রত্যাশা করছি। আমি গাজীপুর মহানগর, টঙ্গী পূর্ব থানা আওয়ামীলীগসহ সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের দোঁয়া ভালোবাসা প্রত্যাশা করছি।
Leave a Reply