সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৪ সরকারি সফরে সিঙ্গাপুর গেলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রতিবছর দেশে ৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে : তথ্যমন্ত্রী বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৯ হাজার ৭৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার আগামীকাল এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ কর্নেল অলিকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১ দল টেকসই গণতন্ত্রের জন্য রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী ওয়ান ইলেভেনের সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে

জাপানে থেকে আমাদের বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৫ জুন, ২০২২
  • ৮০ বার

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, জাপান থেকে এখন আমাদের দেশে আরও বেশি বিনিয়োগ দরকার। দুই দেশের মধ্যকার আমদানি-রপ্তানির পাশাপাশি বিনিয়োগও বাড়াতে হবে।আজ রোববার (৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে জাপান-বাংলাদেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) শীর্ষক জরিপের ফলাফল উপস্থাপন শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জাপানিরা তাদের জরিপে দেখিয়েছে যে, ৮৫ শতাংশ কোম্পানি দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চায়। আমরাও আমাদের দিক থেকে গবেষণা করবো। দুই দেশের মধ্যে যেটা উইন উইন (লাভজনক) হয়, আমরা সে রকম সিদ্ধান্ত নেবো।অনুষ্ঠানে জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন ঢাকার ডিরেক্টর ইউজি আন্দো তার জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন। এ সময় তিনি বলেন, মোট ৩০০টি কোম্পানি তার জরিপে অংশ নিয়েছে। এদের মধ্যে ১৪২টি জাপানি কোম্পানি, যারা বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।অন্যদিকে, জরিপে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি কোম্পানি রয়েছে ১৫৫টি, যারা জেবিসিসিআইয়ের সদস্য। এছাড়াও তিনটি বহুজাতিক কোম্পানি জরিপে অংশ নেয় এবং এরাও জেবিসিসিআইয়ের সদস্য। জরিপের ৮৫ শতাংশ কোম্পানি জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে এফটিএ’র আশা করে।এদিকে, জিএসপি সুবিধা বন্ধ হয়ে গেলে ২০ শতাংশ কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে তাদের কার্যক্রম সরিয়ে ভারত ও অন্যান্য আসিয়ানভুক্ত দেশে নিয়ে যেতে চায় অথবা বাংলাদেশে তাদের উৎপাদনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে চায়। কারণ ভারত ও আসিয়ানভুক্ত অনেক দেশের সঙ্গে জাপানের এফটিএ রয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের চেয়ে সেসব দেশে কোম্পানিগুলোর জন্য খরচের পরিমাণ কম হবে।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) সম্পাদক তারেক রফি ভুইয়া জুন। এতে এফটিএ বা ইপিএ’র সুফল নিয়ে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) নূর মো. মাহবুবুল হক, জেবিসিসিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মতিউর রহমান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এবং সিইও মাসরুর রিয়াজ, জাপান কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকার ভাইস প্রেসিডেন্ট মিউঙ্গো লি, জেবিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শরিফুল আলম।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মাহফুজা আখতার প্রমুখ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories