গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নে নিম্ন মানের ইট, খোয়া ও বালু দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীরা প্রতিবাদ করেও প্রতিকার পাচ্ছেন না, এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের । ফলে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে জামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল আলমকে নিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের দোলান বাজার থেকে তেরমোখ হয়ে নোয়াপাড়া বাজার পর্যন্ত ৫২০৫ মিটার রাস্তা সংস্কার কার্যাদেশ পায় মেসার্স আমজাদ ট্রেডার্স এর ঠিকাদার মোঃ ফারুক হোসেন। এই কাজের জন্য সরকারী ব্যায় ধরাহয় প্রায় ২ কোটি ৯৯ লক্ষ ৪৫ হাজার ২ শত ৮৯ টাকা সেইসাথে।
সরেজমিনে দেখা যায়, একেবারেই নিস্ম মানের ইট খোয়া দিয়ে চলছে এই রাস্তানির্মাণ কাজ। তদারকিতে উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের কাউকে দেখা যায়নি। ইচ্ছামত ঠিকাদার এসব নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ কাজ করছে। বর্তমান এলাকাবাসিদের তোপের মুখে ঠিকাদার সাময়িক কাজ বন্ধ রেখেছে । উপজেলার জামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান বলেন এই পাকা রাস্তায় ব্যবহার করাহচ্ছে নিম্নমানের ইট, খোয়া, বালু। এসব নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তানির্মাণ করা হলে দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে তাই স্থানীয় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীদের শান্ত করার জন্য সাময়িক কাজবন্ধ করতে বলেছি। সকলের দাবী ভালমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করাহোক। স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেন, রাস্তাট প্রথম থেকে অনিয়ম করাহয়েছে। পঁচা ইটের উপর রোলার দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এই রাস্তা নির্মাণ শেষপর্যায়ে আসলেও কাজের মান নিম্নমুখী। কাজের দায়িত্বে থাকা ওয়ার্ক এ্যাসিসটেন্টরা দেখেও না দেখার ভান করে। কাজ বন্ধের বিষয়টি আমারা উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন সরকারকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের ইট, খোয়া ও বালু জরুরী সরিয়ে নেওয়ার জন্য পত্র দেন। তিনি আরও বলেন আমি শুনামাত্র সাইডে গিয়েছি। কোন নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করতে দেয়া হবে না।
এ বিষয়ে রাস্তা নির্মান ঠিকাদার ও মেসার্স আমজাদ ট্রেডার্স মালিক মোঃ ফারুক হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব।
Leave a Reply