কোভিড-১৯ সংক্রমণে এখনো সারা বিশ্বে সপ্তাহে প্রায় ১ হাজার ৭০০ লোকের মৃত্যু হচ্ছে। এ জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বৃহস্পতিবার ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যাকে এই রোগের বিরুদ্ধে টিকা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক
বগুড়ায় রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহতদের মধ্যে দুজনকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তবে চিকিৎসাধীন আহত দুজনের মধ্যে কেউই শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য
দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থাপন করা হচ্ছে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট। আগামী দুই মাসের মধ্যে ১৫০ শয্যার বিশেষায়িত বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের নির্মাণকাজ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ওষুধের গুণগতমান নিশ্চিত করার মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করতে হবে। নিম্নমানের ও ভেজাল ওষুধের অব্যাহত স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসারত রোগীদের সেবার পাশাপাশি গবেষণা কার্যক্রমও সুষ্ঠু-সুন্দরভাবে এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হক।সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে
সরকারি হাসপাতালগুলোয় চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ সব কিছুই বিনামূল্যে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।তিনি বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচিতে আরও সমন্বয়ের দরকার আছে। তবে সব সরকারি হাসপাতালের উদ্দেশ্য
রাসেল্স ভাইপারের এন্টিভেনম বাংলাদেশের প্রত্যেক হাসপাতালে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগস্থ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে বাংলাদেশ সোসাইটি অব
প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পর্যাপ্ত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ করছেন না, যা সারা বিশ্বে স্বাস্থ্যের জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। বুধবার প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।২০২২ সালে সুপারিশকৃত ১.৮
কম কথা বলে বেশি কাজের মাধ্যমে নিজ নিজ জায়গা থেকে স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষায় ভূমিকা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।মঙ্গলবার সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্যসেবা
চিকিৎসাবিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেটে প্রকাশিত গবেষণা বলছে, সপ্তাহে পাঁচবার আধঘণ্টা করে হাঁটলে ও ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী চললে কোমরব্যথা ফিরে আসার সময়টা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যায়৷অর্থাৎ নিয়মিত হাঁটা ব্যক্তিরা, যারা হাঁটেন