উত্তর কোরিয়া তার পূর্ব উপকূলের সাগর লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি
ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশাল হামলা শুরু করবে সৌদি আরব। আর এই হামলার পরিকল্পনা নিয়ে এখন কাজ করছে রিয়াদ।মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক সূত্র বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, নতুন অভিযানটি কয়েক সপ্তাহের
সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়া একটি বোট থেকে শিশু, নারী ও পুরুষসহ মোট ৭৬ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এর মধ্যে ১১ জন মানবপাচারকারী চক্রের
দুবাই থেকে তেল আবিরগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে ককপিট দখলের চেষ্টা ও ভারতীয় ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ইরানের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্প বলেছেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া চারটি ড্রোন ও দু’টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংসের দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর
ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এবার বড় ধরনের এক হুঁশিয়ারি দিয়ে বসেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে তার কথায়।শুক্রবার (২
ইরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যে সৌদি আরব ও কাতারের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় অতিরিক্ত দুটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে মার্কিন
ইসলামের অন্যতম পবিত্র নগরী মদিনার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী ওই বিতরণ কেন্দ্রটিতে চালানো হামলার জন্য ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের দায়ী
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক এক বিমান হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত এবং বহু মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ।মঙ্গলবার নিউইয়র্কে
ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে খুব শিগগির সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানো অথবা দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার মধ্যে একটি পথ বেছে নিতে হবে