মৃণাল চৌধুরী সৈকত
(জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বরণে)
হে জাতির পিতা,
গোলাম আজম থেকে ইয়াহিয়া
ফুটপাত থেকে অট্রালিকায়
নির্বিঘ্নে হত্যা-খুন-নির্যাতন
জেল-জুলুম আর অত্যাচারের
এক ভয়ংকর প্রতিবাদ ছিলে তুমি।
গনমঞ্চে তোমার আগমন
মুহমূহ করতালি আর
রিভলভিং চেয়ারের পা গুলো
ঠকঠক করে কেঁপে উঠে
স্বাগত জানাতো তোমাকে।
তোমার আপোষহীন
দুঃসাহসী নেতৃত্ব
দেশ ও বর্ণহীন
বাঙ্গালী জাতির স্বাধীনতা অর্জন।
উনসত্তর থেকে একাত্তর
স্বাধীনতা উত্তর
রক্ত পিপাষু পাকিস্থানীদের সাথে
বাঙ্গালীর যুদ্ধ-ই
আমাদের অহংকার।
অতপরঃ উনসত্তর থেকে একাত্তরে
ত্রিশ লক্ষ মানুষের শহীদান
আর দু-লক্ষ মা-বোনের
ইজ্জতের বিনিময়ে
অর্জিত হলো স্বাধীনতা-
আজকের সোনার বাংলাদেশ।
হে পিতা,
একাত্তর পরবর্তী পচাত্তর
ঘাতক দলের বুলেটে বিদ্ধ
রক্তাক্ত তুমি-তোমার পরিবার।
আজ তুমি নেই সময় কাটে না
পুরোয় না দিন,
মনে হয় মুহুর্তকাল গেছে থেমে।
হে বঙ্গবন্ধু,
তুমি কি জানো ?
তোমাকে হারানোর যন্ত্রণা নিয়ে
কতকাল পেরিয়ে গেলো আমাদের,
আজ তুমি নেই-
তোমার স্থৃতিকে আঁকড়ে ধরে
ছাঁদহীন ঘরের বারান্দায়
ক্ষুধার্ত অবসন্ন দেহে
সময় কাঁটে একাকী।
তুমি কি জানো ?
আজো তোমার শোকে-শোকাহত
বিশ্ব আর ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে
বাংলার কোটি কোটি নীরিহ
কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষ।
জাতির ক্লান্তি লগ্নে
তোমার রেখে যাওয়া
অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল,
স্বপ্নের স্বাধীন সোনার বাংলা
আজ বিশ্বদরবারে
মাথাউঁচু করে দাঁড়িয়ে।
Leave a Reply