———–মৃণাল চৌধুরী সৈকত
প্রিয়তমা,
তোমাকে বলার ভাষা আমার জানা নেই,
গতকাল তোমাকে-প্রথম দেখার পর
আমার রক্ত মাংসের শরীরে-
কেমন জানি শিহরণ জাগরিত হয়েছিলো ।
সারারাত ঘুমাতে পারিনি কিছুতেই !
তুমিও জেগেছিলে অন্ধকারের
ঝি ঝি পোকার আলোয়, আমি জানি !
বলতে পারো,
তোমাকে এক নজর দেখার পর-
আমার যৌবনের ক্ষুধা থমকে গিয়েছিলো বটে,
তথাপি, নিজেকে সংযত করে রেখেছি-
শুধু তোমাকে পাবো বলে।
প্রেয়সি,
হঠাৎ এতটা ভালোবাসার পেছনে
সত্যিই আমার কোন ছলনা নেই-
তুমি নিশ্চিত জেনে রেখো।
শুধু-তোমার মিষ্টি মধুর অবয়ব
আর লাল টুকটুকে ঠোঁঠে
আমার চুম্বনের দাগ
তোমার অনাকাঙ্খিত রাগ মেটাবে
এ আমি নিশ্চিত।
প্রিয়তমা,
তোমার কেশ-কালো লম্বা চুল-
অর্ধকালো হরিণি চোখ
আমাকে পুলকিত করবে।
তোমার নিধারুন বক্ষব্যাধি
আর নাভীর নিম্মে জলাশয়হীন
দুই ইঞ্চি উর্বর অনাবাদী জমিনে-
একজন কৃষকের ঠাঁই হবে, নির্ভিগ্নে
তুমি নির্দিধায় মানো !
অত:পর তোমার ঐ মনোহারিনীর
মহারথে চড়তে চাই অনায়াসে,
চাই, উর্বর অনাবাদি জমিনে চাষাবাদ।
আমার দেহের অঙ্কুরিত বিজ
তোমার জমিনে ফসলের রুপ নেবে
তুমি জেনে রাখো।
অবশেষে, তুমি তোমার যৌবন
যৌবনদীপ্ত মন-প্রাণ-দেহ
সপে দাও আমাকে-শুধুই আমাকে।
আমি আমার সর্বাঙ্গীন ভালোবাসা
তোমাকে দেবো, কথা দিলাম।
Leave a Reply