মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় আবারো ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু’র অভিযোগ পাওয়া গেছে,মায়ের অবস্থাও আশংকাজনক।
গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের হাসপাতাল রোডস্থ প্রাইম হাসপাতাল এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে।জানা যায়,ডাক্তার ছাড়াই হাসপাতালে কর্মরত নার্স ও আয়া’রা সিজার করতে গিয়ে নবজাতকের মৃত্যু ঘটে।নবজাতকের মা ফারজানার স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায় বেলা ১২ ঘটিকায় প্রস্রববেদনা উঠলে তাঁরা রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।আসার পর’ই নার্স শান্তা এবং হাসপাতাল ম্যানেজার তরিকুল ইসলামের পরামর্শে প্রথমে আলট্রাসনোগ্রাম করানো হয়।

আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট দেখে নার্স শান্তা ও হাসপাতাল ম্যানেজার জানান,সব কিছু ঠিক আছে,বাচ্চা ভাল আছে,অপারেশন করার জন্য ডাক্তারদেরকে অবগত করা হয়েছে,তাঁরা আসতেছে,হঠাৎ কোন ডাক্তার উপস্থিত না হতেই নার্স শান্তা,ফারজানাকে অপারেশন কক্ষে নিয়ে যায়,দীর্ঘক্ষণ পর দুইজন ডাক্তার এসে ফারজানাকে রক্তাক্ত অবস্থা দেখে,তৎক্ষনিক তারা হাসপাতাল থেকে চলে যান।তখন হাসপাতাল ম্যানেজার এবং নার্স শান্তা জানা,নবজাতক বাবুকে মৃত্যু অবস্থায় অপারেশন করে বের করা হয়েছে।রোগী ফারজানার অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাকে ঢাকা মেডিকেল পাঠানো হবে,হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করলেও স্বজনদের আহাজারি আর জবরদস্তিতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে নবজাতক মৃত্যুর খবর,রোগী ফারজানার আশংকা জনক অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।সংবাদ শুনে তৎক্ষণাৎ ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃআশরাফুল আলম জানান,হাসপাতাল প্রাথমিক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে,তবে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নাই।রোগীর অভিভাবকদের অভিযোগ অনুযায়ী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যথেষ্ট ত্রুটি রয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করে,নির্দেশ অনুযায়ী প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হবে।
নবজাতকের মা ফারজানা আক্তার স্বামী মোঃমুক্তার হোসেন,গ্রাম-লুটেরচর,উপজেলা মেঘনা,জেলা- কুমিল্লা,বাবা মৃত হারুন অর রশিদ,বাড়ি গজারিয়া উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে।এ বিষয়ে গজারিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রইছ উদ্দিন জানান,অভিযোগ পেয়েছি,তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply