ঢাকার সাভার উপজেলার হেমায়েতপুর হইতে আমিনবাজার রাস্তার মাঝামাঝি স্থান হাইওয়ে রোড সংলগ্ন ভাঙ্গা ব্রিজ লোহার সেতুর সংলগ্ন এমকো ইট ভাটার ভিতরে গাইবান্ধা জেলার মুঞ্জুরুল ও বুলবুল নামের দুই ব্যক্তি একই যায়গায় ২ টি কারখানা করে, পুরাতন ব্যটারী আগুনে জ্বালিয়ে তৈরি করছে সিসা, এই সিসা কারখানার দুষিত ধোঁয়ায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
এই মুঞ্জুরুল এর আগে ধামরাই উপজেলায় ১ টি সিসা কারখানা চালিয়েছিল কিন্তু এই কারখানার জন্য এলাকার অনেকের গরু মারা যাওয়ার কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তার কারখানা গুড়িয়ে দেওয়ায় পরবর্তীতে সে এখানে কারখানা করে।
একই উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়নের ভাঙ্গা লোহার সেতু পার হয়ে চাপড়া গ্রামের এম এস বি ইট ভাটার সংলগ্ন এলাকায় গাইবান্ধা জেলার হারুনার রশীদ হারুন ও আরও দুই ব্যক্তির একই যায়গায় ৩ টি পুরাতন ব্যটারী সিসা তৈরীর কারখানা চলছে।
পাশেই চলছে দুইটি কাঠ জ্বালিয়ে কয়লা তৈরির কারখানা যার দুষিত ধোঁয়ায় জনজীবন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ হুমকির মুখে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান এই সিসা ও কয়লার কারখানায় যখন আগুন জ্বালায় তখন ধোঁয়া তিন চার কিলোমিটার এলাকা জুরে যায়।
তখন বাসা বাড়ির ভিতরে যেকোনো লোকের চোখ মুখ জ্বালা করে ও প্রচুর এসিডের গন্ধ ছড়ায়।
আশেপাশের এলাকায় বসবাসরত পরিবারের ছোট শিশুরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অসুখে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
এতোকিছুর পড়েও ভাড়াটিয়া হওয়ায় প্রাণভয়ে কেউ মুখ দিয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছে না।
এলাকায় বসবাসরত লোকজন আরও জানান স্থানীয় কিছু সাংবাদিক ও নেতৃস্থানীয় লোকজনকে ম্যনেজ করে এরা এই অবৈধ সিসা ও কয়লার কারখানা চালাচ্ছে।
এলাকাবাসী এই অবৈধ সিসা ও কয়লা তৈরির কারখানা বন্ধ করতে ঢাকা জেলা প্রশাসক,সাভার উপজেলা প্রশাসন পরিবেশ অধিদপ্তরসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সুদৃষ্টি কামনা করছেন।
Leave a Reply