শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৪ মালয়েশিয়ায় অ্যারোফম কোম্পানির বাংলাদেশি কর্মীদের পাশে হাইকমিশন মালয়েশিযার কেদাহ রাজ্যে ১০০ বাংলাদেশি আটক শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই মজুরি বুঝিয়ে দিন, ইসলামের কঠোর নির্দেশ সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর অধ্যাপক আসাদুজ্জামান খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ মিশিগানে বামের বাংলাদেশ–আমেরিকান ফেস্টিভ্যালে শেকড়ের টানে প্রবাসীদের মিলনমেলা

জ্বালানির দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারে উঠতে পারে, আশঙ্কা এড হির্সের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৭ বার

চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহে বাধা অব্যাহত থাকলে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে। এমন সতর্ক বার্তা দিয়েছেন জ্বালানিবিষয়ক অর্থনীতিবিদ এড হির্স।
ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের এই প্রভাষক বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া তেলের অর্ধেক সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে-ধরা যাক, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী আর তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে নিরাপত্তা দিতে পারছে না-তাহলে কিছু সময়ের জন্য তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১৫০ ডলারেও উঠে যেতে পারে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে তিনি বলেন, এর প্রভাব ইতোমধ্যেই এলএনজি বাজারে দেখা গেছে। প্রথম দিনেই দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সোমবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ডিজেলের দামও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। গ্যাসনির্ভর কিছু দেশ এখন পেট্রোলিয়াম কেনা বাড়িয়ে দিয়েছে, যা ভবিষ্যতের সরবরাহ অর্ডারেও প্রভাব ফেলছে।
হির্সের মতে, এর বড় প্রভাব পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঙ্গরাজ্যগুলোতে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অবস্থা ধরে রাখা খুবই কঠিন হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে সামনে থাকা মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে, বলেন তিনি।
এদিকে, ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচল প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে বলে বুধবার (৪ মার্চ) জানিয়েছে জ্বালানি বাজার পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘কেপলার’।
বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, তারা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছেন।
তবে কেপলারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দাবি পুরোপুরি সত্য নয়; কিছু জাহাজ এখনও অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে এই বিপজ্জনক পথ দিয়ে চলাচল করছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories