শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের আদলে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র চলছে: ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কুমিল্লা সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে বিএসএফ একদিনে ৩ বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী মহাষষ্ঠী অধিবাসের মধ্যদিয়ে শুরু এ বছরের দুর্গাপূজা শারদীয় দুর্গাপূজায় সীমান্তবর্তী জেলা ছাড়াও গোপালগঞ্জসহ ৩ জেলায় থাকছে বিজিবি মোতায়েন এবছর শারদীয় দুর্গাপূজায় নাশকতার ঝুঁকি নেই , নিরাপত্তায় মাঠে আছে ৬ হাজারের বেশি এসআরবি সদস্য বিক্ষোভে এখনও উত্তাল ফ্রান্স, প্যারিসে রেকর্ড ১ হাজার ২৬০ জন গ্রেপ্তার ফেসবুক লাইভ করে তৌহিদী জনতা জড়ো করা ফজলুল হক আমিনী প্রধান আসামী কুমিল্লা সীমান্ত থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে গেল ভারতীয় বিএসএফ পাকিস্তানে স্কুলের ছাদ ধসে ২৮ জনের মৃত্যু, নিহতদের বেশির ভাগই শিশু

সিরাজগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর অন্যের কাছে বিক্রি, তদন্ত শুরু

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৬৫ বার

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ দক্ষিনপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের বরাদ্দ প্রাপ্ত ঘর মালিকেরা ৭টি ঘর অন্যের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ইতিমধ্যেই এক সদস্য বিশিষ্ট গঠিত কমিটি তদন্তের কাজ শুরু করেছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উক্ত উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের গাড়াদহ দক্ষিনপাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পে নির্মিত ১৪টি ঘরে ভূমিহীন পরিবার বসবাস করে দীর্ঘদিন ধরে। এ প্রকল্পের জনপ্রতি ২ শতক জমি ও প্রতিটি ঘর নির্মাণে সরকার ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় করেছে। এ ১৪টি আধাপাকা ঘরের মধ্যে ৭টি ঘর মালিকেরা অন্যের কাছে ৮০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে এবং স্ট্যাম্পের মাধ্যমে কিনে নেয়া ব্যক্তিরা ওই ঘর গুলোতে এখন বসবাস করছে।

এসব তথ্য ফাঁস হওয়ার পর ওই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের মালিক ও ক্রেতারা নড়েচরে বসে এবং কিনে নেয়া ঘরের লোকজনকে সরিয়ে দিয়ে এখন প্রকৃত মালিকের বসবাস দেখানো হচ্ছে।স্থানীয়রা বলছেন, ওই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দূর্ণীতির আশ্রয় নেয়া হয়েছে এবং তালিকা প্রনয়ণে অনিয়মের কারনেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ওই ৭টি ঘর অন্যের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতেই উপজেলা প্রশাসন এ তদন্ত কমটি গঠন করেছে।এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, ওই আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমি বরাদ্দ দিয়েছেন এসিল্যান্ড এবং তালিকা প্রনয়ন করেছেন উপজেলা প্রশাসন। এ তালিকা অনুয়ায়ী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তবে তালিকা প্রনয়ণ ও ঘর নির্মাণে কোনো অনিয়ম দূর্ণীতি হয়নি এবং ওই প্রকল্পের ঘর অন্যের কাছে বিক্রির বিষয়ে বলেন, গঠিত কমিটির তদন্তে প্রকৃত ঘটনার কারণ জানা যাবে।
শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, যাচাই বাছাই করেই প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যাদের নামে ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই ওই ঘরে বসবাস করতে পারবেন। এ আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর অন্যের কাছে বিক্রি বা হস্তান্তরের বিধান নেই এবং সরকারি ঘর বিক্রি করা আইনত অপরাধ। এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যেই তদন্তের কাজ শুরু করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে ঘর বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories