গ্যাস-অ্যাসিডিটি প্রায়ই সমস্যা করে থাকে আমাদের। সাধারণত প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের কারণেই গ্যাসের সমস্যা হয়। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে অনেকেই নানা ধরনের ওষুধ সেবন করেন। কেউ কেউ খাদ্যতালিকায়ও নজর রাখেন। ফলে বাইরে ভাজাপোড়া, প্রোসেসড ফুড ও ফাস্টফুড থেকে নিজেকে বিরত রাখেন। এরপরও কারও কারও গ্যাসের সমস্যা হয়।
নিজেদের অজান্তেই এমন কিছু খাবার খাওয়া হয়, যা গ্যাসের জন্য দায়ী। কিন্তু আগে থেকে যদি জানা থাকে, কোন কোন খাবারগুলো গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি করে, তাহলে সেসব খাবার এড়িয়ে যাওয়া যায়। এ ব্যাপারে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন পুষ্টিবিদ তেজল ঘুলে। তাহলে জেনে নেয়া যাক, কোন কোন খাবার থেকে গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
বিনস: এটি খুবই পুষ্টিকর খাবার। কিন্তু এতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকায় গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে ভালো করে রান্না করা বিনস থেকে গ্যাস হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
ফুলকপি ও ব্রকোলি: এসব সবজিতে প্রচুর পরিমাণ রাফিনোজ থাকে। যা গ্যাসের সমস্যা বাড়াতে পারে।
গম থেকে তৈরি খাবার: গম থেকে তৈরি করা খাবারে গ্লুটেনের পরিমাণ বেশি থাকে। যাদের গ্যাসের সমস্যা বেশি হয়, তাদের এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।
পেঁয়াজ: কম-বেশি প্রায় সব খাবারে পেঁয়াজ ব্যবহার করা হয়। এমনকি সালাদেও রাখা হয়। এতে ফ্রুকটোজ নামের চিনি জাতীয় উপাদান থাকে। যা অনেকের পেটেই সহজে হজম হয় না। এ কারণে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।
রসুন: মশলার এই উপাদানটি সবার সমস্যা না করলেও কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। তাদের রসুন খেলে গ্যাসের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
দুগ্ধজাত খাবার: দুগ্ধজাত খাবারে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম বেশি থাকে। এসব উপাদানে থাকা লুকটোজ অনেকের সহ্য হয় না। তাদের ক্ষেত্রে গ্যাস হতে পারে।
বার্লি: বার্লিতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকে। যা অনেকের পেটে হজম হয় না। এ কারণে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।
শসা: শুনতে কিছুটা অবাক লাগলেও সত্য যে, এটি অন্যসব খাবার হজমে সহায়তা করলেও এটি নিজেই গ্যাসের সমস্যা বাড়ায়। এ জন্য গ্যাসের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শসা খাওয়া উচিত।
Leave a Reply