সে আজ আসবে-
সিল্কের শাড়িতে জড়ানো
এক সূর্যাস্তের রঙ নিয়ে,
তাঁর চলনে-ভঙ্গিমায়
এমন এক পরিপক্ব ছন্দ
যা হৃদয়ে প্রশান্তি জাগায়,
চোখে কামনার ঢেউ তোলে।
নারী আসবে
পাশে এসে দাঁড়াবে,
তার উপস্থিতিতে শরীরের উষ্ণতা
আর বাতাসের আদ্রতা বাড়িয়ে দেবে।
তার গলার আওয়াজে থাকবে
মাটির মতো স্থিরতা,
আর চোখে থাকবে
আগুনের মতো আকর্ষণ।
আর তাঁর কাছে গেলে,
কেবল শরীর নয়—
নিজের আত্মাকেও খুলে দিতে পারে।
তার বয়স পঁয়তাল্লিশ
তবু-সে দূর্বল নয়,
বরং তাঁর শরীর
যেনো প্রকৃতির হাতে গড়া।
সৌন্দর্যের অপার মহিমায়
ওই নারীর বক্ষস্থল
শাড়ির আঁচলে ঢেকে রাখলেও,
তার নীরব উপস্থিতি
অনুভব করা যায়-
দূর থেকে অতিসহজে।
নাভির নিম্মে প্রশস্ত নীতম্ব
ঠিক যেন-সেই জায়গা,
যেখানে এক যুবক
তার সমস্ত ক্লান্তি ভুলে
আশ্রয় খুঁজে প্রতিমূহুর্তে।
তাঁর মসৃণ-ভারী উরুগুলি
যেনো অভিজ্ঞতা আর কামনার-
যৌথ কাব্যিক ভাষা।
তার হাঁটা চলা
শরীর দোলানোর অঙ্গ-ভঙ্গিমা
যেন শরীরী সংগীত,
যুবকের রক্তে উত্তাপ তোলে,
আবার সম্মানে মাথা নোয়ায়।
নারীর চোখে সৃষ্ট এক দৃষ্টি—
যেখানে মাতৃত্ব,
জাগতিক কামনা আর
অনন্ত ভালবাসার তিনটি নদী
একসাথে বয়ে চলে অভিরাম।
সেই চোখে চোখ রেখে
যদি কেউ বলে,
তুমি অসাধারণ ?
সে কেবল মৃদু হেসে বলে,
তুমি দেরি করে ফেলেছো—
আমি অনেক আগেই
অসাধারণ হয়ে গেছি।
নারী সর্বদাই অসাধারণ
কোনো রূপকথা গল্প নয়,
বাস্তবে-রক্ত-মাংসে
ঈশ্বরের এক অভিন্ন সৃষ্টি,
নারীর বক্ষবেধী
কেবল কামনার উৎস নয়—
এক নিরাপদ আশ্রয়স্থল।
এক মাধুর্যময় স্থিরতা,
যেখানে হৃৎপিণ্ড থেমে যায়
এক অপ্রতিরোধ্য প্রশান্তিতে।
নারীর-নিতম্ব বাহুযুগল
কেবল শরীরের আকৃতি নয়-
এটি একটি পরিপূর্ণ পূর্ণতা,
একটি শরীরী ভাষার কবিতা।
Leave a Reply