বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে : রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম নির্ধারণের চেয়ে বাড়তি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল করা হবে: সড়কমন্ত্রী গাজীপুরে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ: ভোগান্তিতে যাত্রীরা গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ চট্টগ্রাম-৩ আসনের সাবেক এমপি মাহফুজুর রহমান গ্রেপ্তার ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৬ সর্বজনীন পেনশনে শরিয়াহ ভিত্তিক স্কিম, সংসদে যাচ্ছে বিল

একই সাবান দিয়ে সবাই গোসল করে বিপদ ডাকছেন না তো? যা জানা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৩ বার
একই সাবান দিয়ে সবাই গোসল করে বিপদ ডাকছেন না তো? যা জানা জরুরি

সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য শুধু স্বাস্থ্যকর খাবারই নয়, সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতাও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে প্রথমেই যে বিষয়টি উঠে আসে, তা হলো প্রতিদিন গোসল করা। কিন্তু জানেন কি―গোসল করার ক্ষেত্রে অনেকেই বড় ভুল করেন। অধিকাংশ বাসা-বাড়িতেই পরিবারের প্রায় সব সদস্য একটি সাবান ব্যবহার করেন। যা ঠিক নয়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, একই সাবান সবাই ব্যবহার করলে কোলি, সালমোনেলা ও শিগেলা’র মতো ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে। এই পরিস্থিতিতে অভ্যাসটি পরিবর্তন না করলে রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন অনেকের। এ ব্যাপারেই একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম। তাহলে এ বিষয়ে জেনে নেয়া যাক।
ত্বক ও ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের ঝুঁকি:
একই সাবান পরিবারের সব সদস্য ভাগ করে ব্যবহার করলে ত্বকের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। মূলত, মানুষের ত্বকে আলাদা আলাদা ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক থাকে। সবাই যখন একই সাবান ব্যবহার করেন, তখন ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক একে অপরের মধ্যে ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে পরিবারের কারও যদি দাদ, চুলকানি, ছত্রাক সংক্রমণ বা ব্যাকটেরিয়াজনিত ত্বকের সংক্রমণ (যেমন: ইমপেটিগো) থাকে, তাহলে তা অন্যদের মধ্যেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। এ জন্য সিডিসির মতো সংস্থাগুলো সাবানকে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার এবং তা শেয়ার না করার পরামর্শ দিয়ে থাকে।
স্ট্যাফ ও অন্যান্য ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া:
স্ট্যাফাইলোকক্কাসের মতো ব্যাকটেরিয়া সাবানের ওপর থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, বিশেষ করে যদি সাবান ভেজা থাকে। এ ক্ষেত্রে অন্যের ব্যবহারকৃত সাবান ব্যবহার করলে ফোড়া, ব্রণ বা গুরুতর সংক্রমণ হতে পারে।
ব্যক্তিগত অঙ্গের বিশেষ ঝুঁকি:
অনেকেরই অভ্যাস রয়েছে যে, একই সাবান দিয়ে হাত-মুখ, শরীরসহ বিভিন্ন অঙ্গ পরিষ্কার করেন। এতে ইস্ট ইনফেকশন, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস বা অন্যান্য ব্যক্তিগত সংক্রমণ একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে বিস্তার করার আশঙ্কা থাকে।
ত্বকের ভারসাম্য নষ্ট:
সাবানে বিদ্যমান রাসায়নিক এবং সুগন্ধি সবার ত্বকের জন্য উপযুক্ত নয়। অন্য কারও ত্বকের উপযুক্ত সাবান আপনি ব্যবহার করলে এতে নিজের ত্বকের প্রাকৃতিক পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। ফলে ত্বক আরও সংবেদনশীল হতে পারে। এতে ফুসকুড়ি, চুলকানি, জ্বালা ও ত্বকের শুষ্কতার মতো সমস্যা হতে পারে। অনেক সময় ছোট ছোট ত্বকের জ্বালা ধীর গতিতে অ্যালার্জিতে রূপ নিয়ে থাকে।
ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি:
একই সাবান সবাই ব্যবহার করলে সাবানের বারে গুরুতর ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক লাগার সম্ভাবনা থাকে। যা একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়াতে পারে। বিশেষ করে ত্বকে কোনো কাটা বা আঁচড় থাকে।
করণীয়:
প্রতিটি ব্যক্তির উচিত আলাদা আলাদা সাবান ব্যবহার করা। পরিবারের সব সদস্যের একই সাবান ব্যবহার করা ঠিক নয়। যদি করতেই হয়, তাহলে লিকুইড সোপ ব্যবহার করুন। এতে জীবাণু কম ছড়ায়। অথবা সাবানটি ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন, যাতে এর ওপর কোনো অবশিষ্টাংশ না থাকে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories