বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে : রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম নির্ধারণের চেয়ে বাড়তি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল করা হবে: সড়কমন্ত্রী গাজীপুরে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ: ভোগান্তিতে যাত্রীরা গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ চট্টগ্রাম-৩ আসনের সাবেক এমপি মাহফুজুর রহমান গ্রেপ্তার ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৬ সর্বজনীন পেনশনে শরিয়াহ ভিত্তিক স্কিম, সংসদে যাচ্ছে বিল

কোন কলা বেশি স্বাস্থ্যকর? যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞের বিশ্লেষণ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৬ বার

শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারাবিশ্বেই সবচেয়ে সহজলভ্য ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম কলা। এই ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। সকালে নাস্তার সঙ্গে হোক বা ব্যায়ামের আগে দ্রুত এনার্জি পেতে কলা আমাদের নিত্যসঙ্গী। শক্তি, ভিটামিন ও খনিজের এক অসাধারণ উৎস এই ফলটি। কিন্তু জানেন কি, কলার পুষ্টিগুণ তার রঙ ও পরিপক্বতার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়?
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সুপরিচিত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি কলার চারটি পর্যায় ও প্রতিটি পর্যায়ে থাকা ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টিগুণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। সৌরভ শেঠির সেই ভিডিও দেখছেন বিপুলসংখ্যক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী।
কোন কলা আপনার শরীরের জন্য সবচেয়ে উপকারী?
কাঁচা বা সবুজ কলা
সবুজ কলায় থাকে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ, যা এক ধরনের প্রিবায়োটিক। এটি আমাদের অন্ত্রে থাকা ভালো ব্যাকটেরিয়াকে খাবার জোগায়। ডা. শেঠির মতে, ‘প্রতি ১০০ গ্রাম সবুজ কলায় প্রায় ৩.৫ গ্রাম ফাইবার ও মাত্র ১০ গ্রাম চিনি থাকে। সবুজ কলা হজমে সহায়তা ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি ওজন কমাতেও সাহায্য করে।
হালকা সবুজ বা আধাপাকা কলা
এই পর্যায়ে কলার স্টার্চ ধীরে ধীরে চিনিতে পরিণত হতে শুরু করে। ডা. শেঠি জানান, ‘প্রতি ১০০ গ্রাম আধাপাকা কলায় প্রায় ২.৫ গ্রাম ফাইবার থাকে। একইসঙ্গে পটাশিয়ামের পরিমাণও বাড়ে। আধাপাকা কলা পেটের সুস্থতা বজায় রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। হালকা মিষ্টি স্বাদের জন্য খেতেও আরামদায়ক।
সম্পূর্ণ পাকা কলা বা হলুদ কলা
এটি বাজারে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এ সময় কলার রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ কমে যায়। কিন্তু এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ডা. শেঠির ভাষায়, ‘এটি সহজপাচ্য এবং প্রি-ওয়ার্কআউট স্ন্যাক হিসেবে দারুণ। পাকা কলা দ্রুত শক্তি দেয়। তাই এটি ব্যায়ামের আগে খাওয়ার উপযুক্ত।
দাগওয়ালা বা বাদামি কলা
এটি সবচেয়ে মিষ্টি কলা — প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ১৭ গ্রাম চিনি থাকে। ফাইবার কিছুটা কমে গেলেও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যায়। ডা. শেঠি জানান, এই কলা মানব শরীরে ইমিউন সিস্টেমকে মজবুত করে। এটি স্মুদি বা ডেজার্ট তৈরির জন্য আদর্শ।
চূড়ান্ত পরামর্শ
ডা. শেঠি বলেন, ‘যদি আপনার লক্ষ্য হয় পেটের স্বাস্থ্য ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, তবে আপনার জন্য আধাপাকা বা সামান্য সবুজ কলা-ই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর।। তাই এখন থেকে কলা বেছে নিন আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী।
তিনি বলেন, ‘সবুজ কলা অন্ত্রের যত্নে, হলুদ কলা শক্তির জন্য, আর দাগওয়ালা কলা স্বাদ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জন্য ভালো।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories