বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনা বেঁচে থাকতে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না: তথ্য উপদেষ্টা সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোনো কোনো মহল গার্মেন্টস উৎপাদন ব্যাহত করতে উসকানি দিচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী পেলেন আর্থিক সহায়তা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ২টি দেশীয় পাইপগান ও ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার ময়মনসিংহের নান্দাইলে চলন্ত ট্রাকে আগুন, চালকের বিচক্ষণতায় রক্ষা পেল নান্দাইল বাজার গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ৪ গাড়ির ত্রিমুখী সংঘর্ষে ভ্যান চালক নিহত আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ হামে ৩০ বছরের মধ্যে প্রথম শিশুমৃত্যু দেখল নিউইয়র্ক মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

বিয়ে করেই ওমরায় যান রনি, সেখানে সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু টঙ্গীর রনির

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০২৩
  • ২২৩ বার

গত সোমবার সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে একজন টঙ্গীর ইমাম হোসেন রনি (৪০)। দুর্ঘটনার খবরে রনির পরিবারে আকাশ ভেঙে পড়েছে। তাদের কান্নায় টঙ্গীর বড় দেওড়ার ফকির মার্কেট এলাকার বাতাস যেন ভারি হয়ে উঠেছে। এলাকা জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
জানা যায়, টঙ্গীর শিল্প এলাকার পশ্চিম থানাধীন বড় দেওড়া ফকির মার্কেট এলাকার বাসিন্দা ইমাম হোসেন রনি তার পরিবার নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর সদরে হলেও ফকির মার্কেট এলাকায় জমি কিনে বাড়ি করেছেন রনির বাবা আব্দুল লতিফ। সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত রনির টঙ্গীর বড় দেওড়া ফকির মার্কেট এলাকার হোল্ডিং নম্বর ৯ হলো বাসা। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে ইমাম হোসেন রনি দ্বিতীয়।
রনির বোন সীমা আক্তার জানান, পাঁচ বছর হলো রনি সৌদি আরবে থাকেন। দুই মাসের ছুটিতে ফেব্রুয়ারি মাসের ৫ তারিখে দেশে আসেন ও ৭ তারিখে বিয়ে করেন। রনির প্রথম স্ত্রী এক সন্তান রেখে তাকে তালাক দিয়ে চলে যান। রনির প্রথম পক্ষের একমাত্র ছেলে ইসমাইল হোসেন (১১) স্থানীয় একটি মাদরাসায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর রনির ছেলে ইসমাইল দাদা-দাদির সাথেই থাকে। এ অবস্থায় ছুটিতে এবার বাড়ি এসে শিমু আক্তারকে (২৫) বিয়ে করেন রনি।

ইমাম হোসেন রনির ভাই হোসেন আলী জসিম জানান, ২৫ মার্চ উমরাহ পালনের জন্য ভাইকে বিমানবন্দরে দিয়ে আসি। ঠিকঠাকমতো রনি গন্তব্যে পৌঁছে যায়। ওমরাহ পালন শেষে ১ এপ্রিল কাজে যোগদানের কথা ছিল তার। কিন্তু ২৭ তারিখ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সে মারা গেল।
রনির বোন হাজেরা বেগম জানান, আমার ভাইয়ের সঙ্গে শেষ কথা হয় সোমবার ইফতারের কিছুক্ষন আগে। ভাই বলেছিল, ওমরাহ শেষে কাজে যোগদান করবে। বাংলাদেশে ইফতারের সময় হয়ে গেছে বলে ফোন রেখে দেয় আমার ভাই রনি। তারপর মৃত্যুর সংবাদ পাই।

রনির বাবা আব্দুল লতিফ জানান, আমার ছেলেকে হারিয়ে আমি পাগল হয়ে গেছি। সরকারের কাছে আমার আবেদন, তাড়াতাড়ি যেন ছেলের লাশটা আমার কাছে পাঠায়।

ইমাম হোসেন রনির ছেলে ইসমাইল হোসেন বুঝে উঠতে পারছে না তার বাবা নেই। কেঁদে কেঁদে শুধু বলছে বাবা মারা গেছেন।

টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ আলম জানান, লাশ আসার পর সরকারি নির্দেশনা অনুসারে সব কাজ সম্পন্ন করা হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories